সকাল ০৬:৩২, শনিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২২, ৮ মাঘ

ঢাকায় বিশ্ব শান্তি সম্মেলনের উদ্বোধন

পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

শান্তি সম্মেলনের বক্তৃতা দিচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ
শান্তি সম্মেলনের বক্তৃতা দিচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ না হই এবং  পারস্পরিক শান্তি ও সম্প্রীতি নিশ্চিত না করি, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যাওয়া সম্বব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।  ৪ ডিসেম্বর (শনিবার) ঢাকায় বিশ্ব শান্তি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। 

 

শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের আন্তর্জাতিকীকরণের লক্ষ্য নিয়ে আজ দুদিনের শান্তি সম্মেলন শুরু হয়। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে উদ্বোধন পর্বে ভিডিও কনফারেন্সে বঙ্গভবন থেকে যুক্ত হন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এ সম্মেলন ‘ঢাকা শান্তি ঘোষণা’ শীর্ষক একটি সর্বসম্মত ঘোষণার দিয়ে শেষ হবে। সমাপনী পর্বে সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিশ্ব শান্তি সম্মেলন আয়োজনের জন্য স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে সভাপতি ও সায়মা ওয়াজেদকে সদস্য সচিব করে ৪৬ সদস্যের আয়োজক কমিটি গঠন করা হয়। গত মার্চ মাসে এই সম্মেলনের অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে আবদুল হামিদ বলেন,‘বিশ্ব এখন অসংখ্য চ্যালেঞ্জ ও সংঘাতের মুখোমুখি। কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্ব ব্যবস্থার দুর্বলতা দেখিয়ে দিয়েছে। আমাদের অবশ্যই ধর্ম, বিশ্বাস, বর্ণ এবং জাতিগত বৈষম্যের অবসান ঘটাতে হবে এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। একটি সুষম বিশ্বব্যবস্থা সকলের জন্য অপরিহার্য। আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত হবে না যে, আমরা সকলে ভাগাভাগি করে এমন একটি গ্রহে বাস করি, যার দায়িত্বও আমরা ভাগ করে নিয়েছি।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বাস করে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য সর্বোত্তম পন্থা। আমাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার জন্য আমরা শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংঘাতের সমাধান এবং বিশ্বব্যাপী শান্তির প্রচারের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।’

তিনি বলেন, ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই নীতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি- উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মুক্তিযুদ্ধের পর মানবাধিকার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতার অবদান তুলে ধরেন।’

বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি শান্তি পুরস্কার অর্জনের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘ওটা ছিল বাংলাদেশের প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্তি। যার ফলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু থেকে বিশ্ববন্ধুতে রূপান্তরিত হয়েছিলেন।’

১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে জাতির পিতার ভাষণ থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘কীভাবে বৈশ্বিক বৈষম্য ও অবিচার আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য প্রকৃত হুমকি তা বঙ্গবন্ধু তুলে ধরেছিলেন।’

জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, ভারতের সাবেক মন্ত্রী সুরেশ প্রভাকর প্রভু।

অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন মালয়েশিয়ার সাবেকমন্ত্রী সৈয়দ হামিদ আলবার, বাংলাদেশের সাবেক কূটনীতিক ও জাতিসংঘের সাবেক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল আনোয়ারুল করিম চৌধুরী, মিশরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আরব লীগের সাবেক মহাসচিব আমর মুসা।জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুনের ধারণকৃত ভিডিও বার্তা অনুষ্ঠানে দেখানো হয়।

উল্লেখ্য, তিনদিনব্যাপি এই শান্তি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাপণী বক্তব্য দেবেন। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুনসহ বিশ্বের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার স্বনামধন্য ব্যক্তিরা সম্মেলনে সশরীরে ও ভার্য়াচুয়ালি যুক্ত হবেন। 

Share This Article


শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনা চান শাবি শিক্ষার্থীরা

পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

বাড়তে পারে শীত

বাবার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে মেয়ে

তথ্য যাচাই-বাচাই না করে বিদেশিরা লোক অভিযোগ করে

নাচের ভিডিও ভাইরাল হওয়াই কাল হলো পুলিশ কনস্টেবলের

স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কুয়াকাটা সৈকতের পর্যটকরা

ঋষভ পন্থের নতুন রেকর্ড

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত আরও ১১ হাজার ৪৩৪

জিএম কাদেরের রোগমুক্তির জন্য কেরানীগঞ্জে দোয়া

এক অলরাউন্ডারের ব্যাটিংয়ে মান বাঁচল বরিশালের

সব পরীক্ষা স্থগিত করলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

এ বছরই চালু হবে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও কর্ণফুলী টানেল

নিজদের প্রথম ম্যাচে এবারও পাকিস্তানের মুখোমুখি ভারত

জনগণের সরকার ফিরিয়ে আনতে হবে: খন্দকার মোশাররফ