সকাল ১০:২৭, বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ১২ মাঘ

শহীদ ডা. মিলন দিবস

১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর। এই দিনে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সামনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন চিকিৎসক নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলন।

ডা. মিলনের রক্তদানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চারিত হয় এবং ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরশাসনের পতন ঘটে। সেই থেকে প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন রাজনীতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনটি ‘শহীদ ডা. মিলন দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে।

দিবসটি বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি নিয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঢাকা মেডিকেল কলেজ চত্বরে ডা. শামসুল আলম খান মিলনের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতের কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এছাড়া চিকিৎসকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মিলনের ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী ও দিবসটি উপলক্ষে তারা নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের বীর শহীদ ডা. মিলনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে স্বৈরশাসনের উত্থান ঘটে। শহীদ ডা. মিলনের মতো আরও অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৯০ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষ এসব বীর শহিদের অবদান চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, ‘স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চারিত করে। সেদিনই দেশে জরুরি আইন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু জরুরি আইন, কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা মিছিল নিয়ে বারবার রাজপথে নেমে আসে। অবশেষে স্বৈরশাসকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়।’

ডা. শামসুল আলম খান মিলন পেশাগত সততা, দক্ষতা ও সাংগঠনিক কর্মতৎপরতায় ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি তৎকালীন বিএমএ’র নির্বাচিত যুগ্ম-সম্পাদক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ ও কলেজের বায়োকেমিস্ট বিভাগের প্রভাষক ছিলেন। তিনি পেশাজীবী ও রাজনীতিক নেতাদের কাছে ছিলেন প্রিয়জন ও প্রিয়মুখ।

Share This Article


ফাইল ফটো

৪৪তম বিসিএসের আবেদনের সময় বাড়ল এক মাস

ফাইল ফটো

কুসুম ফেলে দিয়ে শুধু ডিমের সাদা অংশ খাচ্ছেন! বিশেষজ্ঞরা কি বলছেন?

ফাইল ফটো

শাড়ির ফাঁকে উন্মুক্ত নাভি, ট্রেন্ডিং গানে ‘হট বম্ব’ উরফি!

ড. জাফর ইকবাল

শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের অনশন জাফর ইকবালের অনুরোধে স্থগিত, চলবে আন্দোলন

ফাইল  ফটো

অডিটর নিয়োগের প্রশ্নফাঁসের মূল হোতা নোমান সিদ্দীকি

ফাইল ফটো

যৌতুক না পেয়ে বিকৃত যৌনাচার, স্বামী গ্রেপ্তার

ফাইল  ফটো

মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় মিশা-জায়েদের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি আলমগীরের

ফাইল ফটো

সিনেমার প্রচারে যাওয়া দীপিকার পোশাক নিয়ে ছি ছি

সিনিয়রকে থাপ্পর মেরে জাবির দুই ছাত্রী বহিষ্কার

রিয়াজ

এফডিসিতে গেলে আমাকে মেরে ফেলবে: রিয়াজ

ফাইল ফটো

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীকে পুতিনের শুভেচ্ছা

দেখতে চাই সিআইডি আমাকে এরেস্ট করে কিনা: জাফর ইকবাল

ফাইল ফটো

আজ আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস

ফাইল ফটো

উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের মামলার আসামি মালেক গ্রেফতার

ফাইল ফটো

হেফাজত নেতা মুফতি হারুন ইজাহারের হাইকোর্টে জামিন