ভোর ০৫:২৮, শনিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২২, ৮ মাঘ

কক্সবাজারে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে নারী ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে ধোঁয়াশা!

কক্সবাজারে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে নারী ধর্ষণ
কক্সবাজারে স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে নারী ধর্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: পর্যটননগরী কক্সবাজারে বেড়াতে আসা নারীর স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনাটি নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। ধর্ষণের শিকার সেই নারীর অভিযোগপত্রে তার দেওয়া বক্তব্যের সাথে মিল নেই আদালতের জবানবন্দীতে। এছাড়া অনৈতিক কাজের অভিযোগে এ বছরের শুরুতেই কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোন থেকে গ্রেপ্তারের অভিযোগও রয়েছে ওই নারীর বিরুদ্ধে।

২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম হামীমুন তানজীনের আদালতে ১৮ পৃষ্ঠার জবানবন্দি দিয়েছেন ভিকটিম। আদালতকে ওই নারী জানান, আট মাস বয়সী অসুস্থ সন্তানের চিকিৎসায় অর্থ জোগাড় করতে স্বামীসহ তিনি কক্সবাজারে এসেছেন। তার সন্তানের হার্টে ছিদ্র রয়েছে। এর চিকিৎসায় ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন। সন্তানকে বাঁচাতে টাকা জোগাড় করাই ছিল তার লক্ষ্য। কিন্তু সেই পথকে মসৃণ হতে দেয়নি সন্ত্রাসীরা। নিয়মিতই চাঁদা দাবি করে। বাধ্য হয়ে একবার ১০ হাজার টাকা চাঁদা দেন। পরে আবার চাঁদা চাইতে গেলে স্বামীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের বাগবিতণ্ডা হয়। এর সূত্র ধরেই তাকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে।

জবানবন্দিতে ওই নারী আরও জানান, সৈকত পোস্ট অফিসের পেছনে একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে আশিকের দুই বন্ধু তাকে ধর্ষণ করে। এর পর আশিক আবার তাকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায় কলাতলীর জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের একটি কক্ষে। সেখানে ইয়াবা সেবন করে ধর্ষণের একপর্যায়ে একটি ফোন কলে পুলিশের উপস্থিতির কথা জানতে পেরে আশিক কক্ষ থেকে দ্রুত বের হয়ে যায়।

তবে এর আগে ২৩ ডিসেম্বর ওই নারী অভিযোগ করেছিলেন, সৈকতের লাবনী পয়েন্টে তারা ২২ ডিসেম্বর বিকালে বেড়াতে যান। সেখানে অপরিচিত এক যুবকের সঙ্গে তার স্বামীর ধাক্কা লাগলে কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে তার আট মাসের সন্তান ও স্বামীকে সিএনজি অটোরিকশায় করে কয়েকজন তুলে নিয়ে যায়। এ সময় আরেকটি সিএনজি অটোরিকশায় ওই নারীকে তুলে নেয় তিন যুবক। পর্যটন গলফ মাঠের পেছনে একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানের পেছনে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে তারা। এরপর তাকে জিয়া গেস্ট ইনে আবার ধর্ষণ করে ওই তিন যুবক। আর সেই ঘটনা কাউকে জানালে সন্তান ও স্বামীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরে র‌্যাব এসে তাকে উদ্ধার করে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনীর উল গীয়াস জানান, মামলাটির তদন্ত করতে গিয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পুলিশের হাতে এসেছে। সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই নারী গত ৮ জানুয়ারি কক্সবাজার শহরের হোটেল-মোটেল জোন থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিল। যদিও তিনি সন্তানকে বাঁচাতে অনৈতিক কাজে জড়িয়েছেন বলে আদালতের কাছে স্বীকার করেছেন। এছাড়া কলাতলী এলাকায় সি ল্যান্ড নামে একটি গেস্ট হাউসে ঘটনার দুদিন আগে সন্ত্রাসী আশিকুল ইসলামের সঙ্গে তার পরিচয় হয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Share This Article


শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনা চান শাবি শিক্ষার্থীরা

পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

বাড়তে পারে শীত

বাবার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে মেয়ে

তথ্য যাচাই-বাচাই না করে বিদেশিরা লোক অভিযোগ করে

নাচের ভিডিও ভাইরাল হওয়াই কাল হলো পুলিশ কনস্টেবলের

স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কুয়াকাটা সৈকতের পর্যটকরা

ঋষভ পন্থের নতুন রেকর্ড

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত আরও ১১ হাজার ৪৩৪

জিএম কাদেরের রোগমুক্তির জন্য কেরানীগঞ্জে দোয়া

এক অলরাউন্ডারের ব্যাটিংয়ে মান বাঁচল বরিশালের

সব পরীক্ষা স্থগিত করলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

এ বছরই চালু হবে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও কর্ণফুলী টানেল

নিজদের প্রথম ম্যাচে এবারও পাকিস্তানের মুখোমুখি ভারত

জনগণের সরকার ফিরিয়ে আনতে হবে: খন্দকার মোশাররফ