দুপুর ১২:০৬, বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ১২ মাঘ

বিজয়ের দিনেও পরাধীন ছিলো যেসব এলাকা

ফাইল  ফটো
ফাইল ফটো

বাংলাদেশের কথা ডেস্ক: বাঙালির নিজের রাষ্ট্র পাওয়ার সাধ পূর্ণ হয়েছিল ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সেনা প্রাণ বাঁচাতে অস্ত্র সমর্পণ করার পর পরই বাস্তবায়ন হয় স্বপ্নের বাংলাদেশের। পাক বাহিনীর সেনাপতি আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী তার সহযোগীদের নিয়ে অস্ত্র সমর্পণ করলেও সেদিন স্বাধীন হয়নি গোটা বাংলাদেশ। রাজধানীরই একটি অঞ্চলসহ দেশের বেশ কিছু এলাকায় তখনও চলছিল যুদ্ধ।

পাকিস্তানি আত্মসমর্পণের পর এই যুদ্ধ চালিয়ে যায় দখলদার বাহিনীর দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আল শামস আর বিহারিরা। প্রভু নতি স্বীকার করলেও তারা তখনও পাকিস্তান রক্ষার চেষ্টায় চালিয়ে গেছে বাঙালি নিধন। কোনো কোনো জেলায় অবশ্য সক্রিয় ছিল পাকিস্তানি সেনারাও।

১৬ ডিসেম্বরের বিজয়ের পর দিন স্বাধীন হয় চট্টগ্রাম, সিলেট, নোয়াখালী, কিশোরগঞ্জ। আর ঢাকার পতনের পরেও উত্তরাঞ্চলে পাকিস্তানিরা প্রতিরোধ যুদ্ধ অব্যাহত রাখে। তবে ১৮ ডিসেম্বর বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর, নাটোর ও নওগাঁর পতন ঘটে ও পাকিস্তানিরা আনুষ্ঠানিকভাবে যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।

কিশোরগঞ্জ থেকে পাকিস্তানি সেনারা পালিয়ে এসেছিল আগেই। কিন্তু তাদের এ দেশীয় দোসররা মুক্তিবাহিনীর জয়যাত্রা ঠেকানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছিল। তবে ১৭ ডিসেম্বর সকালে একটি খোলা জিপে করে মুক্তিযোদ্ধার দল শহরে ঢোকে। ওই দিন দিশেহারা রাজাকাররা শহরের ইসলামীয়া ছাত্রাবাস মাঠে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করে।

১৬ ডিসেম্বরের ছয় দিন পর স্বাধীন হয় বরিশালের আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে দীর্ঘ ২৮ দিন ঠেকিয়ে রাখার চেষ্টা করে ২২ ডিসেম্বর শতাধিক পাক সেনা আর তাদের দালালরা আত্মসমর্পণ করে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যখন পাকিস্তানি বাহিনী বাহিনীর আত্মসমর্পণ পর্ব চলছিলো তখন মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরের মিরপুরের বিহারী আর রাজাকাররা কোনভাবেই আত্মসমর্পণ করতে রাজি হয়নি। সেখানে প্রধানত বিহারিরা অস্ত্রবাজি চালাতে থাকে পরের মাস জানুয়ারির পুরোটা জুড়েই। অবশেষে ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অভিযান চালায় মিরপুরে। অস্ত্রধারীরা এরপর আর সাহস দেখায়নি।

সূত্র: ঢাকা টাইমস, এনটিভি, যুগান্তর ও উইকিপিডিয়া

Share This Article


সোহরাওয়ার্দী-ঢামেক-পিজি

সোহরাওয়ার্দী-ঢামেক-পিজির অব্যবস্থাপনায় ভোগান্তিতে ত্যক্তবিরক্ত রোগীরা

ফাইল  ফটো

উচ্চ ফলনশীল, পুষ্টিকর ও লাভজনক কুমড়া ‘স্কোয়াশ’!

চট্টগ্রামে করোনায় আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ১৪৫৫

ফাইল  ফটো

নিত্যপণ্যের দাম অসহনীয়, সীমিত আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস

৭ দিন পর অনশন ভাঙলেন শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা

আবিষ্কৃত হলো রসুলের (স.) মদিনায় হিজরতের যাত্রাপথ

ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়া বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন শঙ্কা তৈরি হয়েছে: আইএমএফ

ফাইল ফটো

প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে রোগীর সর্বনাশ করলো সরকারি ডাক্তার!

ফাইল ফটো

দুবাইয়ে বিশ্বের সর্ববৃহৎ পবিত্র কোরআন প্রদর্শন

কাঁচা মরিচের রসগোল্লা

রীতিমতো ঝড় তুলেছে কাঁচা মরিচের রসগোল্লা

ফাইল ফটো

৪৪তম বিসিএসের আবেদনের সময় বাড়ল এক মাস

ফাইল ফটো

কুসুম ফেলে দিয়ে শুধু ডিমের সাদা অংশ খাচ্ছেন! বিশেষজ্ঞরা কি বলছেন?

ফাইল ফটো

শাড়ির ফাঁকে উন্মুক্ত নাভি, ট্রেন্ডিং গানে ‘হট বম্ব’ উরফি!

ড. জাফর ইকবাল

শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের অনশন জাফর ইকবালের অনুরোধে স্থগিত, চলবে আন্দোলন

ফাইল  ফটো

অডিটর নিয়োগের প্রশ্নফাঁসের মূল হোতা নোমান সিদ্দীকি