Templates by BIGtheme NET
১০ কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৬ অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৯ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি
Home » বিশেষ সংবাদ » সিঙ্গাপুরে রুপান্তর হচ্ছে বাগেরহাট!

সিঙ্গাপুরে রুপান্তর হচ্ছে বাগেরহাট!

প্রকাশের সময়: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ

উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে সুফী সাধক হযরত খানজাহান আলী (র) স্মৃতিধন্য উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে। ৬০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে এক সময়ের অবহেলিত এ জেলায়। ইতোমধ্যেই জেলার ১৮টি মেগা প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ শেষ পর্যায়ে।

প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হলে পাল্টে যাবে গোটা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার চিত্র। সে সাথে তৈরি হবে দুই লক্ষাধিক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান। এতে অবহেলিত বাগেরহাট হবে প্রাচ্যের সিঙ্গাপুর।

বাগেরহটের অন্যতম মেগা প্রকল্প ‘রামপাল তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র’। বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির উদ্যোগে ১৩২০ মেগাওয়াট এই মৈত্রী সুপার থারমাল পাওয়ার বিদ্যুত কেন্দ্রের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬শ’ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে এখানে বিদ্যুত উৎপাদন শুরু হবে।

তিন হাজার আটশত কোটি টাকা ব্যয়ে মোংলা থেকে খুলনা রেললাইন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রকল্প চালু হলে মোংলা- কলকাতা ১২৭ কিঃ মিঃ দূরত্ব হাতের মুঠোয় আসবে। যার মাধ্যমে আসবে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে ব্যাপক পরিবর্তন। এতে এলাকার জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।

এক সময়ের প্রায় মৃত মোংলা বন্দর এখন দেশের অন্যতম সচল বাণিজ্যিক বন্দরের স্বীকৃতি পাচ্ছে। বর্তমান সরকাররের সময়ে গত একযুগে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বহুমুখী উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভরাট হওয়া ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নৌরুট ঘষিয়াখালী চ্যানেল এখন সচল। বর্তমানে ৮ থেকে ১০ ড্রাফটের জাহাজ মোংলা বন্দরে ভিড়তে পারছে।

খানজাহান আলী বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিকমানের করে তোলার জন্য নতুন করে ৫৩৬ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের তিনগুণ বেশি মূল্য ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে মোংলায় বিদেশীরা যারা আসেন তারা দিনে দিনে কাজ করে যাতে ফিরে যেতে পারেন এ জন্য এ বিমান বন্দর চালু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুতই এর কাজ শেষ হবে।

এছাড়াও কাজ চলমান রয়েছে, খুলনা-মোংলা জাতীয় সড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ, শতভাগ বিদ্যুতায়ন, পানগুছি সেতু, মোংলা খাদ্যগুদাম, মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম, শরণখোলা-মোংলা-রামপাল বেড়িবাঁধ, বেপজা, ইপিজেড, ২৫০ শয্যার শেখ রাজিয়া নাসের হাসপাতাল, সুন্দরবনের উন্নয়ন, শেখ হেলাল উদ্দিন স্টেডিয়ামের আধুনিকায়ন, চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, মেরিন টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, পশুর, ভৈরব, চিত্রা নদী ড্রেজিংসহ ৮৩ খাল পুনর্খনন ইত্যাদি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

eighteen − fifteen =