Templates by BIGtheme NET
১৪ শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ২৯ জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৮ জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি
Home » জাতীয় » স্বর্ণযুগের মসজিদে প্রবেশ বাংলাদেশের !

স্বর্ণযুগের মসজিদে প্রবেশ বাংলাদেশের !

প্রকাশের সময়: জুন ২০, ২০২১, ৯:১২ অপরাহ্ণ

আল্লাহ-রাসূলের ঘর মসজিদ। বান্দা ও স্রষ্টার মধ্যকার সেতুবন্ধন তৈরির কারখানা। যা ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক শৃঙ্খলা তৈরির অন্যতম মাধ্যম। তবে আমাদের দেশে মসজিদ শুধু নামাজের জায়গা হিসাবে বিবেচিত। অথচ মসজিদে নববি ছিল হুজুর (সা.)-এর কার্যালয় ও বাসভবন।

সে সময় মসজিদে নববি ছিল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন, পথিক, গৃহহীন, শরণার্থীদের আশ্রয় কেন্দ্র, নিঃস্ব ও অভাবগ্রস্তদের ত্রাণ ও সাহায্য সংস্থা। আহত ও অসুস্থদের চিকিৎসালয়, মিশনারি মুবাল্লিগদের সদর দপ্তর, জ্ঞান অন্বেষীদের গবেষণাগার ও লাইব্রেরি।

মসজিদ শুধু নামাজের স্থান নয়, ইসলামী গবেষণা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চারও স্থান। সে লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা শহরে একটি করে মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করছে সরকার। এর ফলে স্বর্ণযুগের মসজিদে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

মোট ৫৬০টি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে ৫০টি মসজিদের কাজ ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। বাকিগুলোর নির্মাণকাজ চলছে।

প্রতিটি মসজিদে রয়েছে পুরুষ ও নারীর পৃথক অজু ও নামাজের ব্যবস্থা, পবিত্র কুরআন চর্চার জন্য হিফজখানা, শিশুদের কর্ণার, সমৃদ্ধ ইসলামী লাইব্রেরি ও দুর্যোককালীন আশ্রয়কেন্দ্র। মসজিদ কমপ্লেক্সের মধ্যে পৃথক ভবনে ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

রয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের অফিস, কনফারেন্স হল, গবেষণাকক্ষ, প্রতিবন্ধী কর্ণার, হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ ও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আবাসনের ব্যবস্থা ইত্যাদি।

এমনকি প্রতিবন্ধী ও অসুস্থদের জন্য মসজিদে প্রবেশে বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, নিঃসন্দেহে এতে আগামী প্রজন্ম মসজিদমুখী হবে। জ্ঞান-বিজ্ঞানে পারদর্শী ইসলামী ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠবে। সেই সাথে ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতির প্রসার লাভ করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

eighteen − fifteen =