Templates by BIGtheme NET
২৫ বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ৮ মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২৫ রমজান, ১৪৪২ হিজরি
Home » জাতীয় » গরু চাষিদের কুসংস্কার কেটে যাচ্ছে সালমা সুলতানার প্রশিক্ষণে

গরু চাষিদের কুসংস্কার কেটে যাচ্ছে সালমা সুলতানার প্রশিক্ষণে

প্রকাশের সময়: মে ৪, ২০২১, ৩:০৯ অপরাহ্ণ

বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণায় অবদানের জন্য সিঙ্গাপুর ভিত্তিক বিজ্ঞান সাময়িকী এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০ জন বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করেছে।

এশিয়ার শত বিজ্ঞানীর তালিকায় যে তিনজন বাংলাদেশি নারী জায়গা করে নিয়েছেন তাদের একজন সালমা সুলতানা।

পশু চিকিৎসার শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা রাখার জন্য সালমা সুলতানাকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

সালমা সুলতানা একজন কৃষিবিদ। খামারী ও ক্ষুদ্র কৃষকদের নিয়ে কাজ করেন তিনি।

পশুর রোগ নির্ণয়ের জন্য ল্যাবরেটরিসহ একটি ভেটেরিনারি হাসপাতালও গড়ে তুলেছেন।

বাংলাদেশে একমাত্র বেসরকারি প্রাণী চিকিৎসা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মডেল লাইভস্টক অ্যাডভান্সমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে দেশে পশু চিকিৎসায় শূন্যতা রয়েছে এমন উপলব্ধি থেকেই এ বিষয়ে কাজ করার ব্যাপারে উৎসাহী হন তিনি।

পর্যাপ্ত জ্ঞান ও প্রশিক্ষণের অভাবে খামারীরা ঠিক মতো গবাদি পশু প্রতিপালন করতে না পারায় অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

গরু যেখানে রাখা হয় সেই গোয়াল ঘরের পরিবেশ খুব একটা উন্নত নয়। গোয়াল ঘরের ছাঁদ ১৪ থেকে ১৮ ফুট উঁচু হতে হবে সেটাও অনেকে জানে না।

এমনকি গবাদি পশুর প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যাপারে তাদের পর্যাপ্ত জ্ঞান নেই। এ বিষয়ে তারা কোনো সাহায্য সহযোগিতাও পাচ্ছে না, যার ফলে তাদের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

গরু চাষিরা আগে ভুষির সাথে পানি মিশিয়ে গরুকে খাওয়াতো। গরুকে ভাত খাওয়ানো হতো। জাউ রান্না করে খাওয়াতো।

তবে গরুর পেটের জন্য এসব অনেক ক্ষতিকর। খামারিদের গরুকে শুকনো খাবার দিতে উৎসাহিত করছেন কৃষিবিদ সালমা সুলতানা।

পর্যাপ্ত জ্ঞান ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পশু পালন যে অনেক লাভজনক ব্যবসা হতে পারে সে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন তিনি।

পশু চিকিৎসায় জ্ঞানের অভাব প্রভাব ফেলছে মানুষের স্বাস্থ্যখাতেও। সে বিষয়ে সচেতনা তৈরির কাজ করছেন তিনি।

চিকিৎসা দেওয়া অবস্থায় অনেক অসুস্থ গরু জবাই হচ্ছে। ফলে ওষুধের উপাদানগুলো তার দেহে থেকে যাচ্ছে। সেই মাংস খেয়ে স্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়ে যাচ্ছে।

সালমা সুলতানার প্রশিক্ষণের ফলে গরু চাষিদের মধ্যে যেসব কুসংস্কার ছিল তা ধীরে ধীরে কেটে যাচ্ছে।

গরুর মাংস বা দুধ, হাঁস মুরগির ডিম নিরাপদ হচ্ছে কীনা সে বিষয়েও কাজ করছেন তিনি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

3 − 2 =