Templates by BIGtheme NET
৪ বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৭ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৪ রমজান, ১৪৪২ হিজরি
Home » করোনাভাইরাস » টিকা না পেয়ে বিকল্প পথে হাঁটতে চাচ্ছে বাংলাদেশ!

টিকা না পেয়ে বিকল্প পথে হাঁটতে চাচ্ছে বাংলাদেশ!

প্রকাশের সময়: এপ্রিল ৬, ২০২১, ৯:২১ অপরাহ্ণ

ভারত সরকার টিকা রপ্তানি স্থগিত করায় বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে টিকার চালান পাওয়া গেলেও দ্বিতীয় ধাপে ৩০ লাখ ডোজ কম এবং তৃতীয় ধাপে কোন টিকা না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে দেশের স্বাস্থ্যবিভাগ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে টিকা পেতে একাধিক বিকল্প উৎসের খোঁজে নেমেছে বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত কোন উৎস থেকে সাড়া না পেলেও আশাবাদী স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

জানা গেছে, ইউএনডিপির অর্থায়নে জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকার তিন কোটি ডোজ কেনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু এই টিকা আগামী সেপ্টেম্বরের আগে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর বাইরে টিকা উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামালের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকাকে এবং ওষুধ শিল্প উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে অন্য কয়েকটি টিকা উদ্ভাবকদের কাছে চিঠি দিলেও তাতে সাড়া মেলেনি।

দেশীয় ওষুধ কোম্পানি ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস কাঁচামাল পেলে ফাইজার-বায়োএনটেক, মডার্না, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং জনসন অ্যান্ড জনসনসহ অনুমোদিত টিকাগুলো বাংলাদেশে তৈরিতে সক্ষম। ইনসেপ্টার পক্ষ থেকে টিকা উদ্ভাবক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে কাঁচামাল সরবরাহের আবেদন করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মুকতাদির বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার শর্ত পূরণ করে টিকা উৎপাদনের জন্য তাদের আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি রয়েছে। বিষয়টি উল্লেখ করে টিকা উদ্ভাবক কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। সরকার ও ইনসেপ্টার পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত কোনো টিকার কাঁচামাল পেলে ইনসেপ্টা প্রতিবছর ৫০ কোটি ডোজ টিকা উৎপাদনে সক্ষম।

অপর একটি সূত্র বলছে, শুরুতে চীনের একটি প্রতিষ্ঠান ও রাশিয়ার স্পুটনিক বাংলাদেশে টিকা সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছিল। একই সঙ্গে টিকা তৈরির সামর্থ্য থাকলে বাংলাদেশে কাঁচামালও সরবরাহ করার কথা বলেছিল দেশ দুটি। কিন্তু সেরাম ইনস্টিটিউটের টিকা চলে আসায় চীন ও রাশিয়া পিছিয়ে যায়। এখন সংকটের মুখে সেরামের বিকল্প হিসেবে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

20 − 10 =