Templates by BIGtheme NET
৪ বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৭ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৪ রমজান, ১৪৪২ হিজরি
Home » বিবিধ » অনলাইন গেমিং যখন অর্থ আয়ের মাধ্যম!

অনলাইন গেমিং যখন অর্থ আয়ের মাধ্যম!

প্রকাশের সময়: মার্চ ২৫, ২০২১, ৭:১০ অপরাহ্ণ

পশ্চিমা দেশগুলোতে ই-স্পোর্টস শিল্প রমরমা হলেও এখনো অন্ধকারে বাংলাদেশ। কিন্তু সম্প্রতি পাবজি মোবাইল গেমের সুবাধে বাংলাদেশও এই তালিকায় যুক্ত হয়েছে। এই গেমটির বৈশ্বিক পর্যায়ের বড় একটি আসরে বাংলাদেশের এ-ওয়ান ই-স্পোর্টস নামে একটি দল অংশ নিয়ে সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দেশের একদল তরুণের পৌঁছে যাওয়া নতুন এক দিগন্ত উঁকি দেয়ারই পূর্বাভাস বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ই-স্পোর্টস দিয়ে বোঝা হয় একটি সুন্দর গুছানো টুর্নামেন্টকে, যেখানে বাস্তব খেলার প্রতিযোগিতার বদলে হয় অনলাইন গেমগুলোর প্রতিযোগিতা। গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো সেরা প্লেয়ারদের নিয়ে নিজস্ব একটি টুর্নামেন্টের আয়োজন করে। পুরস্কার হিসেবে থাকে আকর্ষণীয় প্রাইজমানি আর জনপ্রিয়তা থাকে আকাশচুম্বী।

এ প্রসঙ্গে এ-ওয়ান দলের প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা কাজী আরাফাত হোসেন বলেন, ‘এখন যেমন আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলেজেন্স (এআই) নিয়ে সবাই মেতেছে, তেমনি একদিন সবাই ই-স্পোর্টস নিয়ে মেতে উঠবে। পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোতে এই শিল্পের অবস্থান খুব দৃঢ়। বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এর সঙ্গে যুক্ত থাকায় এর থেকে আয়ও হয় অনেক। যদি আয়ের হিসেব বলি তা হলে ধরুণ, হলিউড ইন্ডাস্ট্রির মোট আয় থেকেও দ্বিগুণ আয় করছে ই-স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি।’

ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা এবং ভিডিও স্ট্রিমিং এর সুবাদে শুধু খেলাইনা, লক্ষ লক্ষ মানুষ গেম দেখার মাঝেও নিজেদের আগ্রহ তৈরি করে নিয়েছে। জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট থেকে যেমন বিপুল আয় হয়, তেমনই প্রফেশনাল খেলোয়াড়েরাও প্রচুর পরিমাণ অর্থ উপার্জন করে। এছাড়া সরাসরি এসব স্ট্রিমিং করার মাধ্যমেও আয় করেন অনেকেই।

আরাফাত হোসেন বলেন, ‘মূলত গেমিং টুর্নামেন্টগুলো খেলে খেলোয়াড় এবং দলগুলো আয় করে। এছাড়া স্পন্সর, ইভেন্ট ও মার্চেন্ডাইজিং থেকেও আয় হয়। সেই সঙ্গে স্ট্রিমিং সাইট যেমন ইউটিউব ও লোকোতে লাইভ খেলা দেখিয়েও অনেক খেলোয়াড় ভালো আয় করছে।’

দেশের যেসব পাবজি মোবাইল দল আন্তর্জাতিকভাবে আয়োজিত টুর্নামেন্ট অংশ নিচ্ছে তাদের আয় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে কয়েক লাখে। কাজী আরাফাতের ভাষ্যমতে তার দল এ-ওয়ানের আয় ৩৩ হাজার ডলার (বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ২৮ লাখ টাকা)। এছাড়া খেলোয়াড়রা স্ট্রিমিং করার মাধ্যমেও দিব্যি আয় করছেন বলে জানা তিনি।

দেশে বেকারত্ব হ্রাস, কিশোর ও যুব সমাজকে বিপথগামী পথ থেকে বাঁচানোর অন্যতম মাধ্যম হতে পারে এই খাত। সেই সঙ্গে আর্থিক স্বচ্ছলতার বিষয় তো আছেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

fourteen − fourteen =