Templates by BIGtheme NET
৪ বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ , ১৭ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৪ রমজান, ১৪৪২ হিজরি
Home » বিশেষ সংবাদ » অন্য বোর্ডের শিক্ষকদের দিয়ে খাতা মূল্যায়ন
কি বলছে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা?

অন্য বোর্ডের শিক্ষকদের দিয়ে খাতা মূল্যায়ন
কি বলছে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা?

প্রকাশের সময়: মার্চ ৬, ২০২১, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ

এ জেড ভূঁইয়া আনাস: দীর্ঘদিন থেকে মাদ্রাসার খাতা মূল্যায়নের সময় শিক্ষকরা নাম্বার বেশি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ভালো রেজাল্ট হলেও শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন হচ্ছে না।

এ সমস্যা থেকে উত্তোরণে গঠিত সংসদীয় কমিটি মাদ্রাসার বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষার বাংলা, গণিত এবং ইংরেজি বিষয়ের খাতা অন্য শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ শিক্ষকদের দিয়ে মূল্যায়ন করার প্রস্তাব দিয়েছে।

এ বিষয়ে কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ সাংবাদিকদের বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য সরকার অনেক টাকা খরচ করে কিন্তু কাঙ্খিত ফল দেখা যাচ্ছে না। তাদের শিক্ষার গুণগতমান প্রত্যাশিত মাত্রায় অর্জিত হয় না। এছাড়া শিক্ষকদের মধ্যে নিজেদের চাকরির স্বার্থে শিক্ষার্থীদের পাশ করিয়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এটা হলে এই সুযোগ তারা পাবে না।

আলিয়া মাধ্যম থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে ভূমিকা রাখতে দেখা যায় না। এ কারণেই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের খাতা অন্য কোন মাধ্যমের শিক্ষকদের মূল্যায়নের সুপারিশ করা হয়েছে। এটা করা সম্ভব হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটা চাপ থাকবে এবং তারা নিজেদের গুণগত মান উন্নত করার চেষ্টা করবে।

যদিও এসব অভিযোগ মানতে নারাজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, মাদ্রাসায় অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার পরিবেশ ভালো থাকায় রেজাল্ট ভালো হচ্ছে। এসম্পর্কে মাদ্রাসা থেকে সদ্য আলেম পাশ করা মাহবুব হোসেন বলেন, যদি মাদ্রাসায় গুণগত শিক্ষা না থাকে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা থেকে শুরু করে মেধা ভিত্তিক পরীক্ষাগুলোতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কেন এগিয়ে?

আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস থেকে সদ্য মাস্টার্স শেষ করা আবদুর রহমান বলেন, মূলত, আলিয়া থেকে আলেম পাশ করে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্নাস-মার্স্টাস করে। যে কারণে কর্মক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষাকে মূল্যায়ণ করা যাচ্ছে না। তবে শুধু মাদ্রাসা নয়, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অমূল পরিবর্তন প্রয়োজন বলেও মনে করেন এই শিক্ষার্থী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

19 − six =