Templates by BIGtheme NET
২৩ ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৮ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২৩ রজব, ১৪৪২ হিজরি
Home » জাতীয় » দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দর

দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দর

প্রকাশের সময়: জানুয়ারি ১৯, ২০২১, ১:৫৭ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ যে দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্যিক কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে, সেটি ২০১০ সালেই অনুধাবন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জন্য যেই মানের বিমানবন্দর প্রয়োজন সেটি মুন্সিগঞ্জের আড়িয়াল বিলে নির্মাণের উদ্যোগও নেয়া হয়েছিলো। কিন্তু নানামুখি গুজব ও আন্দোলনের ফলে সেই প্রকল্প থেকে সরে আসে সরকার।

কিন্তু উন্নতমানের একটি বিমানবন্দরের প্রয়োজন দিন দিন বাড়তেই থাকে। আর সে জন্যই রাজধানীর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরকে সম্প্রসারিত ও আধুনিক করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয়া হয়।

বর্তমানে বিশ্বের সেরা ১০ বিমানবন্দরের মধ্যে শীর্ষস্থানে আছে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানমবন্দর। সাগরের কোলঘেঁষা নান্দনিক শৈলীতে নির্মিত এ বিমানবন্দরে আধুনিক প্রযুক্তির সকল সুবিধাই রয়েছে। ফলে যাত্রীদের বিরক্ত হওয়ার কোনো সুযোগই নেই।

চাঙ্গির মতোই আধুনিক প্রযুক্তির সব সুবিধা নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মিত হচ্ছে।

জানা গেছে, পদ্ম ফুলের আদলে নির্মিতব্য এই টার্মিনালের নকশাটিও করেছেন সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানমবন্দর খ্যাতিমান স্থপতি রোহানি বাহারিন।

চাঙ্গির মতোই শাহজালালের নতুন টার্মিনালে রাজকীয় বিশ্রামাগার, পুল, অর্কিড বাগান, ছোটদের খেলাঘর, শপিং সেন্টারসহ ২৪ ঘণ্টার সিনেমা হল থাকছে। এসব সুবিধা বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারবেন অপেক্ষারত যাত্রীরা।

নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনালে যাত্রীদের সুবিধার্থে বহির্গমনের জন্য থাকছে ১১৫টি চেক-ইন কাউন্টার। ২৭টি ব্যাগেজ স্ক্যানিং মেশিন, ১১টি বডি স্ক্যানার, ১২টি বোর্ডিং ব্রিজ ও ১৬টি লাগেজ বেল্ট।

পাঁচ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটারে টার্মিনালে থাকবে ৩৭টি উড়োজাহাজ রাখার পার্কিং বে, এক হাজার ২৩০টি গাড়ি রাখার সুবিধা। ৬৩ হাজার বর্গফুট জায়গায় আমদনি-রফতানির জন্য থাকছে আলাদা কার্গো কমপ্লেক্সও।

এছাড়াও সুবিশাল রানওয়েসহ অত্যাধুনিক এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট র্যা ডারও বসানো হচ্ছে।

বর্তমানে শাহজালাল বিমানবন্দর বছরে ৮০ লাখ যাত্রী বহনের সক্ষমতা রয়েছে। তবে নতুন টার্মিনালটির কাজ শেষ হলে এ সক্ষমতা দুই কোটিতে দাঁড়াবে। আর বিমান ওঠানামা করবে প্রায় আড়াই লাখ।

নতুন টার্মিনাল চালু হলে উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিমের দেশগুলোর বিমান ওঠানামার কেন্দ্র হয়ে উঠবে এ বিমানবন্দর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 − two =