Templates by BIGtheme NET
৬ মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২০ জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৬ জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
Home » আন্তর্জাতিক » লন্ডন প্যারিস ও হংকং এ তিন নগরীকে পছন্দ করছেন না প্রবাসীরা

লন্ডন প্যারিস ও হংকং এ তিন নগরীকে পছন্দ করছেন না প্রবাসীরা

প্রকাশের সময়: নভেম্বর ২৮, ২০২০, ৮:১৮ অপরাহ্ণ

স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে উদ্বেগ, নিরাপত্তা, জীবন ও জীবিকার ভারসাম্য ও আবাসনের সহজলভ্যতার ইস্যুতে বিশ্বের বিভিন্ন শহরের রেটিং করেছে মিউনিখভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনস।

ইন্টারন্যাশনসের জরিপ অনুযায়ী, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত লন্ডন, প্যারিস ও রোম এ তিন নগরীকে প্রবাসীরা পছন্দ করছে না। ১৭৩ জাতীয়তার ১৫ হাজার মানুষের ওপর পরিচালিত একটি বৈশ্বিক জরিপে এ তিনটি শহরের র‌্যাংকিং সর্বনিম্নে।

নিউইয়র্ক, টোকিও, প্যারিস, হংকং ও লন্ডনের প্রবাসীরা সাশ্রয়ী আবাসন সুবিধা পেতে হিমশিম খায়। এ শহরগুলোয় জীবন ও জীবিকার ভারসাম্য আনতে প্রবাসী বাসিন্দাদের নাভিশ্বাস উঠে গেছে বলে ইন্টারন্যাশনের জরিপে ওঠে এসেছে।

অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তন, আবাসন সহজলভ্যতা, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি স্কোর বিবেচনায় শীর্ষে রয়েছে স্পেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ভ্যালেন্সিয়া। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আলিকান্তে। স্পেনের মালাগা ও মাদ্রিদের অবস্থান যথাক্রমে ষষ্ঠ ও নবম।

স্পেনের চারটি শহরের পাশাপাশি শীর্ষ দশে থাকা অন্য শহরগুলো হচ্ছে লিসবন, পানামা সিটি, সিঙ্গাপুর, বুয়েন্স আয়ারস, কুয়ালালামপুর ও আবুধাবি।

নাগরিক সব সুবিধার আদর্শ সমন্বয় ঘটেছে ভ্যালেন্সিয়ায়। মাঝারি আকারের শহর হলেও সৈকতের কাছাকাছি হওয়ায় শহরটিতে বসবাস আরামদায়ক বলে জানিয়েছেন ভ্যালেন্সিয়ায় বসবাস করা প্রবাসীরা।

শহরে সহজেই এসে বসবাস শুরু করা যায় এবং শহরটির ভালো আবহাওয়া ও অসাধারণ জীবনমানের কারণে র‌্যাংকিংয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লিসবন। বছরে ৩০০ দিন সূর্যালোকের জন্য বিখ্যাত পর্তুগালের এ রাজধানী শহরটি।

কাজের পরিবেশ ও সুযোগের বিবেচনায় পিছিয়ে গেছে প্রথাগতভাবে বিবেচিত বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্য নগরীগুলো।

হংকংয়ের অবস্থান নেমে এসেছে ৫৯তমে। তার নিচেই দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের অবস্থান ৬১তম। প্রবাসীদের আর্থিক সংগতি, আবাসন ব্যয় ইত্যাদি বিবেচনায় যুগ্মভাবে সিউলের সঙ্গে অবস্থান প্যারিসের।

৬৬টি শহরের মধ্যে লন্ডনের অবস্থান ৫১তম ও মার্কিন মহানগরী নিউইয়র্কের অবস্থান ৩৪। এ শহরগুলোয় সহজেই ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব হলেও সেখানে আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবা অনেক ব্যয়বহুল।

উল্লেখ্য, এ প্রবাসী নেটওয়ার্কটির সদস্য সংখ্যা ৪০ লাখ। ইন্টারন্যাশনসের জরিপটি গত মার্চে পরিচালিত হয়। তাতে করোনা মহামারীর প্রভাব বিবেচনা করা সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

four × 1 =