Templates by BIGtheme NET
২১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৬ ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ২০ রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
Home » জাতীয় » রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সু চি’র সাথে আলোচনায় বরিস জনসনের উদ্বেগ প্রকাশ

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সু চি’র সাথে আলোচনায় বরিস জনসনের উদ্বেগ প্রকাশ

প্রকাশের সময়: নভেম্বর ২১, ২০২০, ৭:১৯ অপরাহ্ণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালেও রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরব ছিলেন বর্তমান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেও রোহিঙ্গাদের জন্য আর্থিক সহায়থা অব্যাহত রেখেছেন।

রাখাইনে রোহিঙ্গা সংকট ও সংঘাত নিয়ে ব্রিটেনের উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি’র সাথে কথা বলেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

২০ নভেম্বর টেলিফোনে কথোপকথনের সময় মিয়ানমারের নেত্রীর সাথে অন্যান্য প্রসঙ্গের পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

ব্রিটেনের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) এক বিবৃতিতে জানায়, মিয়ানমারে বিশেষত দেশটির পাশাপাশি দুই রাজ্য রাখাইন ও চিন রাজ্যে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে এবং বেসামরিক লোকেরা ক্রমবর্ধমান সংঘাতের কবলে পড়ছে।

বিবৃতিতে ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ ৩০ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশের হালনাগাদ মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে ব্রিটেন।

ব্রিটেন মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক আদালতের অস্থায়ী ব্যবস্থা সংক্রান্ত রায় মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে; যদিও রোহিঙ্গারা এখনও তাদের মৌলিক অধিকার এবং মর্যাদা থেকে বঞ্চিত। এক লাখ ২৮ হাজার রোহিঙ্গা এখনও নিজ দেশে শিবিরের মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং অবাধে চলাচল এমনকি চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগও তাদের নেই।

বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমারের সামরিক এবং জাতিগত সশস্ত্র উভয় গ্রুপ দ্বারা সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে নির্বিচারে গ্রেপ্তার, নির্যাতন, হেফাজতে মৃত্যু, গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া, যৌন সহিংসতা এবং ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন্স’ পরিচালনার খবর পাওয়া গেছে।

এর আগে, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াং হি লি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে মিয়ানমারে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে সু চি’র দলের জয়ের জন্য তাকে অভিনন্দন জানান।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ নির্বাচন মিয়ানমারের গণতন্ত্রের পথে পরিবর্তনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

2 × two =