Templates by BIGtheme NET
১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২৮ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ১২ রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
Home » জাতীয় » রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রতিবেশীদের পদক্ষেপে হতাশ বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রতিবেশীদের পদক্ষেপে হতাশ বাংলাদেশ

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ২৯, ২০২০, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রতিবেশী ও বন্ধু দেশগুলোর পদক্ষেপ না থাকায় হতাশ বাংলাদেশ। মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ তৈরিতে বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও সে অনুযায়ী তিন বছরে দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনের পর চীন ও ভারতের কাছ থেকে প্রত্যাশিত পদক্ষেপ আশা করছে ঢাকা।

তিন বছর আগে প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গাদের ঢল নামে বাংলাদেশে। গত এক দশকের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় ঢল বলে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘ। ইতোমধ্যে রোহিঙ্গা গণহত্যার কারণে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া চলছে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে।

তবে দফায় দফায় উদ্যোগ নিয়েও মানবিক বিবেচনায় আশ্রিত ১১ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন শুরু করা সম্ভব হয়নি। এ সংকট সমাধানে শুরু থেকেই মিয়ানমারের সাথে দ্বিপাক্ষিক তৎপরতার পাশাপাশি প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বে বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে মধ্যস্থতায় রয়েছে বাংলাদেশের উন্নয়নে সবচেয়ে বড় অংশীদারি দেশ চীন। মিয়ানমারের প্রতি চাপ তৈরিতে বারবার আশ্বস্ত করেছে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ভারত। তবে এ পর্যন্ত কার্যত কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বলেন, এই বিষয়ে প্রায় সময় আমরা অনেক বক্তব্য শুনি। কিন্তু কাজের সময় উল্টো কাজ হয়। চীনের কাছ থেকে আমরা এই ইস্যুতে যে পরিমাণ সহায়তা চেয়েছিলাম সে পরিমাণ পাইনি। তবে চীন আশ্বস্ত করেছে, মিয়ানমারের সাথে তারা কথা বলার পর মিয়ানমার বলেছে তারা রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাবে। এরকম তো তারা অনেকবারই বলেছে কিন্তু একটি লোকও এখনো যায়নি। তিন বছর তো পার হয়ে গেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর যে ক্ষতি হয়েছে সে হিসাব নির্ণয় করে তুলে ধরা হবে আন্তর্জাতিক মহলে।

8 নভেম্বর মিয়ানমারের সাধারণ নির্বাচনের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে ত্রিদেশীয় বৈঠকের উদ্যোগ নিচ্ছে চীন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

16 + 12 =