Templates by BIGtheme NET
১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১ ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
Home » আন্তর্জাতিক » আরও ১৭ এলাকা দখলমুক্ত করল আজারবাইজান: প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ

আরও ১৭ এলাকা দখলমুক্ত করল আজারবাইজান: প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ২৬, ২০২০, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

আর্মেনিয়ার দখল থেকে আরও ১৭ এলাকা দখলমুক্ত করেছে আজারবাইাজান। সোমবার এক ঘোষণায় এ কথা জানিয়েছেন আজেরি প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ।

প্রেসিডেন্ট আলিয়েভের উদ্ধৃতি দিয়ে দেশটির সংবাদ সংস্থা আজারটেক জানিয়েছে, জাঙ্গালিয়ান জেলার বিরিনজি আলিভাইলিম লিনজি আলিবাইলি, রাবান্ড এবং ইয়েনিকান্দ গ্রাম, জাবরাইল জেলার ভোভশুদলু, সফুলু, দাগ মাশানলি, কুদলার, হোভুসলু, চালাবিলার গ্রাম ও গুবাদলি শহরসহ জেলার পাদার, আফানদিলার, ইয়ুসিফবাইল, চাইতুমাস, কানলিগ, সারিইয়তাগ, মোল্লাবুরহান গ্রাম দখলমুক্ত করেছে আজারবাইজান।

এর আগে এক টুইটে আলিয়েভ বলেন, বাকু সীমান্তবর্তী আরও সাতটি গ্রাম দখলমুক্ত করেছে।তবে গ্রামগুলোর নাম প্রকাশ করা হয়নি।

প্রায় এক মাস ধরে নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। প্রথম থেকেই দুই দেশকে শান্তি বৈঠকে বসানোর চেষ্টা করছে রাশিয়া। দুইবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবও হয় রাশিয়ার মধ্যস্থতায়।কিন্তু অভিযোগ, যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা লঙ্ঘন করেছে দুইটি দেশ।

এরই মধ্যে গত সপ্তাহে ফের দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে বসায় মস্কো।গত বৃহস্পতিবার মস্কোয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বৈঠক করেন আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু তাতেও সমাধান হয়নি।

এর পর শুক্রবার প্রথমে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং পরে মার্কিন কূটনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেন আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের প্রতিনিধিরা। দীর্ঘ বৈঠকের পর রোববার সন্ধ্যায় নতুন করে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত হয়। আমেরিকা, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে।

সেখানে বলা হয় মানবিক কারণে সোমবার সকাল ৮টা থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হচ্ছে।

কিন্তু সোমবার সকাল হতেই আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, আজারি শহর টার্টারে আক্রমণ চালিয়েছে আর্মেনিয়া। সেখানে শেলিং করা হয়েছে। পাল্টা অভিযোগ করে আর্মেনিয়াও। তাদের দাবি, আজারি সেনাবাহিনী প্রথম যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে।

এদিকে রোববার ইরান জানিয়েছে, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সীমান্তে তারা সেনার সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি করেছে। ইরান যাতে দুই দেশের যুদ্ধ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্যই এই ব্যবস্থা। এর আগে ইরান দাবি করেছিল, দুই দেশের গোলায় বিধ্বস্ত হয়েছে ইরানের সীমান্তবর্তী একটি অঞ্চল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

17 − 3 =