Templates by BIGtheme NET
১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২৮ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ১২ রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
Home » জাতীয় » রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : উস্কানিতেও ধৈর্য দেখানোর ফল পাচ্ছে বাংলাদেশ!

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : উস্কানিতেও ধৈর্য দেখানোর ফল পাচ্ছে বাংলাদেশ!

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ২৪, ২০২০, ৭:০২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসার পর বাংলাদেশের দুই বন্ধু রাষ্ট্র চীন ও ভারত কার্যত চুপ থাকার নীতি অনুষরণ করেছে। আর মিয়ানমার বারবার বাংলাদেশ উস্কে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ঘটনা ঘটিয়েছে।  তবে সব বিষয়েই চূপ থাকার নীতি অনুষরণ করেছে বাংলাদেশ। যার ফল বাংলাদেশ পেতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিভিন্ন সময় মিয়ানমারের উস্কানিতে বাংলাদেশ যদি ধৈর্য না ধরতো তবে ভিন্ন কোন ঘটনা ঘরতে পারতো। এ ক্ষেত্রে যুদ্ধের সম্ভবনাও তৈরি হয়েছিলো। এতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয়েই অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতো।

পররাষ্ট্র বিশ্লেষক হুমায়ুন কবীর বলেন, বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে চমৎকার প্রাজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে। বিশেষ করে, সীমান্তে বারবার সেনা মোতায়েন, বাংলাদেশের সীমান্তের ভেতরে ড্রোন প্রবেশ করানোসহ নানা ঘটনায় ধৈর্য দেখিয়েছে ঢাকা। কোন রকম উস্কানিতে বাংলাদেশ পা না দেয়ায় এখন সেটার সুফল আসতে শুরু করেছে। চীনকে আস্থায় নিয়ে বাংলাদেশ যতটা এগুতে পারে, ততটাই লাভ হবে।

অন্যদিকে, চীন বিশ্ব রাজনীতিতে নেতৃত্বের আসনে বসতে চায়। যে কারণে প্রথম দিকে তারা কিছুটা মিয়ানমারের পক্ষে অবস্থান করলেও এখন এই নীতি থেকে সরে এসেছে। তাই মিত্র দুই দেশ মিয়ানমার ও বাংলাদেশ-কাউকে না খেপিয়ে সমস্যা সমাধানে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে চীন। সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড থেকে এমন ইঙ্গিতই পাচ্ছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনের উদ্যোগে ইতোমধ্যে চীন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে একটি বৈঠক হয়েছে। দেশটির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, নভেম্বরে তাদের উদ্যোগেই তিন দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে আরেকটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সবচে বড় কথা, শেষ পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরত নেয়া হবে, মিয়ানমারের বরাত দিয়ে বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেছে চীন।

দীর্ঘদিন চীনে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করা মুন্সী ফয়েজ আহমদ মনে করেন, প্রত্যাবাসন চীনের কোন নতুন চাওয়া নয়। চীন শুরু থেকেই চেয়েছে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হোক। তবে তারা চায়নি এ ইস্যুতে আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমার কোনো রকম বিপদে পড়ুক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

sixteen + 2 =