Templates by BIGtheme NET
১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২৭ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ১১ রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
Home » জাতীয় » বাংলাদেশের সরকারি বিভিন্ন ওয়েবসাইট ‘ব্লক’ করে রেখেছে মিয়ানমার

বাংলাদেশের সরকারি বিভিন্ন ওয়েবসাইট ‘ব্লক’ করে রেখেছে মিয়ানমার

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ২০, ২০২০, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ

গেল দুই বছর ধরে বাংলাদেশের সরকারি বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্লক করে রেখেছে মিয়ানমার। এই তালিকায় রয়েছে বঙ্গভবন থেকে শুরু করে গণভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এমনকি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটও দেখা যায় না মিয়ানমার থেকে। দেশটির এমন আচরণে ঢাকাকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

জানা যায়, ২০১৭ সালে নির্যাতনের মুখে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসার পর থেকেই বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের একাধিক ওয়েবসাইট বন্ধ করে মিয়ানমার। তবে ২০১৮ শেষ দিক থেকে বাংলাদেশের সরকারি সব গুরুত্বপূর্ণ সাইট পূর্ণাঙ্গ ব্লক করে দেয় দেশটি। এরপর থেকেই দেশটিতে বাংলাদেশের সরকারি কোন ওয়েবসাইট দেখা যাচ্ছে না। প্রতিবেশির এমন আচরণকে দুঃখজনক বলছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আর বিষয়টি কূটনৈতিক শিষ্টাচার এবং ভিয়েনা কনভেশনের সাথে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য সাবেক কূটনীতিকদের।

পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস ও কূটনৈতিক যোগাযোগ থাকলেও মিয়ানমার থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোন তথ্য দেখা না যাওয়ায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সে দেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশের কূটনৈতিকদের।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, সব ঝামেলার সৃষ্টি হয় অজ্ঞতা ও হিংসার কারণে। আমরা তো তাদের কোন সাইট ব্লক করে রাখিনি। তবে তারা কেন এটা করছে আমাদের সাথে। বাংলাদেশে তো তাদের সবকিছুই খোলা আছে।

এরকম ঘটনার প্রভাব বহুমাত্রিক বলে মনে করেন সাবেক কূটনীতিকরা। এর মাধ্যমে মিয়ানমার বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণায় স্থানীয়ভাবে সফল হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ূন কবীর।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের মানুষ যদি বাংলাদেশের মানুষকে না জানে, তাহলে সেখানে যদি কেউ বিভ্রান্তি ছড়াতে চায় তবে তারা বিভ্রান্তি ছড়াবে। এবং সেই ঘটনাটিই ঘটছে। আন্তর্জাতিক কমিউনিটিতে যার এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে প্রয়োজনে তাদের কাছে বাংলাদেশকে সহায়তা চাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন এই কূটনৈতিক।

ব্যারিস্টার মিতি সানজানা জানান, যে আইনের বলে বাংলাদেশের বিভিন্ন সাইট বন্ধ রেখেছে মিয়ানমার, তা মানবাধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক। বাংলাদেশের ওয়েবসাইটগুলো নিয়ে মিয়ানমারের অভিযোগ যে, সাইটগুলোতে ফেক কন্টেন্ট রয়েছে। তবে তাদের অভিযোগের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে জাতিসংঘের কাছে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে। সেখানে অভিযোগ করলে তারা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে বলেও আশা এই আইনজীবীর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

one × four =