Templates by BIGtheme NET
১২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২৭ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ১১ রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
Home » জাতীয় » রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে স্থানান্তর এর বিকল্প নেই

রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে স্থানান্তর এর বিকল্প নেই

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ১৯, ২০২০, ৮:১০ অপরাহ্ণ

কক্সবাজার থেকে রোহিঙ্গাদের একটি অংশকে নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তর করতে দীর্ঘদিন থেকেই প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। তবে কতিপয় এনজিও ও আন্তর্জাতিক সংস্থার ভুল প্ররোচনায় রোহিঙ্গাদের অনীহার কারণে কার্যত সেটি এখনো সম্ভব হয়নি।

তাই এরইমধ্যে রোহিঙ্গাদের ভাসানচর না যাওয়ার ক্ষতিকর দিকের কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের বসবাস নিশ্চিত করতে হবে। নতুবা ব্যবহারের অভাবে সেখানকার বেশিরভাগ স্থাপনা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়েছে, বর্ষা মৌসুম শেষে আগামী মার্চের মধ্যে দুই ধাপে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তরের কোনো বিকল্প নেই। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে ব্যবহার না শুরু করলে স্থাপনাগুলো নষ্ট হয়ে যাবে।

এদিকে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ভাসানচরে প্রেরণ সম্ভব না হলে, বাংলাদেশের দুস্থ ও ভূমিহীন জনগোষ্ঠীকে স্থানান্তর ও বিদ্যমান জীবিকা নির্বাহের মাধ্যমসমূহে সম্পৃক্ত করার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম হিসেবে ক্ষুদ্র কুটিরশিল্প, মহিষসহ অন্যান্য পশু পালন ও পনির প্রক্রিয়াজাতকরণ, মৎস্য চাষ ছাড়াও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড হিসেবে পর্যটনশিল্প স্থাপন, অর্থনৈতিক জোন স্থাপন ও ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার ইত্যাদির পরিকল্পনা করা যেতে পারে। এতে একদিকে যেমন দরিদ্ররা সাবলম্বী হবে। অন্যদিকে ব্যবহারের ফলে স্থাপনাগুলোও নষ্ট হবে না।

উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা স্থানান্তরের জন্য নিজস্ব তহবিল থেকে দুই হাজার ৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচরের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে সরকার। জোয়ার-জলোচ্ছ্বাস থেকে এই চরের ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা রক্ষা করতে এখানে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এক লাখ রোহিঙ্গার জন্য সেখানে ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বসবাসের জন্য যেটি এখন শতভাগ প্রস্তুত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

four × 3 =