Templates by BIGtheme NET
৫ কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২১ অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ৩ রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি
Home » অর্থনীতি » ফাঁদে লাখো বিনিয়োগকারী
এক শতাংশের কম শেয়ার ছেড়ে ওয়ালটনের জুয়া!

ফাঁদে লাখো বিনিয়োগকারী
এক শতাংশের কম শেয়ার ছেড়ে ওয়ালটনের জুয়া!

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ১৪, ২০২০, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ

মাত্র এক শতাংশেরও কম শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ। আইপিওতে ২৫২ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ার ছাড়ে কোম্পানিটি। বাজারে আসার কয়েক দিনের মধ্যে তা বেড়ে ১ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়। যদিও গতকাল শেয়ারটির দর ৫৪ টাকা ৬০ পয়সা কমেছে। আগের কার্যদিবসেও দর কমেছে ৬৬ টাকা ৪০ পয়সা। এভাবে কমতে থাকায় শেয়ারটিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের লোকসানের পাল্লা ভারী হচ্ছে।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানিটির শেয়ারদর নির্ধারণ নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। এছাড়া তালিকাভুক্তির পর ওয়ালটনের শেয়ারদর অস্বাভাবিক বৃদ্ধির বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছেন না বাজারসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, এই শেয়ার ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য তা এক সময় বিপদের কারণ হতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, অতিরিক্ত দামে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ। তাছাড়া শেয়ার উš§ুক্ত করা হয়েছে খুবই কম। কোম্পানিটি বাজারে শেয়ার ছেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৯৭ শতাংশ। যে কারণে শেয়ারের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। এতে ঠকতে পারেন বিনিয়োগকারীরা।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আয়োজিত এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ‘কিছুদিন আগে ওয়ালটনকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ওয়ালটনের মাত্র ১ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়া হয়েছে। ৯৯ শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তাদের হাতে রয়ে গেছে। এর ফলে যেটা হয়েছে, ওয়ালটন হঠাৎ করে পুঁজিবাজারে দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার মূলধনের কোম্পানি হয়ে গেছে। এটা ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে কি না আমি জানি না। কিন্তু এটা একটা ভুল বার্তা দিচ্ছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, ‘ওয়ালটনের ব্যাপারে অনেক কথা শুনছি। আমরা মনিটরিং করছি সব বিষয়। আমাদের নজরের বাইরে কিছুই নেই। বিনিয়োগকারীরা যেন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সে ব্যাপারেও সচেষ্ট আছে কমিশন।’

ওয়ালটন হাইটেকের বিডিং প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটা যে অনেকটা পাতানো খেলা, তা বিডারদের দর প্রস্তাব দেখলেই বুঝা যায়। কারণ ওয়ালটনের শেয়ারে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল বিডিং করেছে ৩১৫ টাকা দরে, আইডিএলসি সিকিউরিটিজ ৪১১ টাকা, গ্রামীণ ওয়ান ৩২০ টাকা। অথচ ইসলামী ব্যাংক ক্যাপিটাল ৭৬৫ টাকা ও ইউনাইটেড সিকিউরিটিজ ৬৪১ টাকা দরে। আবার ৭৬৫ টাকা বিডিং করলেও ইসলামী ব্যাংক ক্যাপিটাল ওয়ালটনের মাত্র এক লট শেয়ার কিনেছে, যা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

এদিকে গত কয়েক বছরে প্রিমিয়াম নিয়ে বাজারে আসা কোম্পানিগুলোর অবস্থা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, প্রতিটি কোম্পানির শেয়ার নিয়ে বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত হয়েছে। এর মধ্যে তালিকাভুক্তির সময় বসুন্ধরা পেপারের অফার প্রাইস ছিল ৭২ টাকা। এখন শেয়ারটির দর কমে দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৮০ পয়সায়। স্কয়ার নিটের অফার প্রাইস ছিল ৮০ টাকা। এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা। রানার অটোমোবাইলসের অফার প্রাইস ছিল ৬৭ টাকা। এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকার কমে। এছাড়া প্রিমিয়ামসহ তালিকাভুক্ত হওয়া রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ারদর ২৫ টাকা কমে এখন লেনদেন হচ্ছে ১০ থেকে ১১ টাকায়। জাহিনটেক্স প্রিমিয়ামসহ দর ছিল ২৫ টাকা, এখন তা ৬ থেকে ৭ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। এর আগে কেপিসিএলের শেয়ার উচ্চ দরে কেনেন বিনিয়োগকারীরা। পরে এই শেয়ারদর অনেক কমে যায়। এখন যা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা ৬০ পয়সায়। ফলে ওয়ালটন হাইটেকের দাম আগামী দুই বছরে ১০০ টাকার নিচে নেমে আসা কোনো অসম্ভব কিছু নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, প্রথমত এই কোম্পানিটি বাজারে এসেছে অতিরিক্ত প্রিমিয়াম নিয়ে। যোগ্য বিনিয়োগকারীরা (বিডার) কীভাবে শেয়ারের এত উচ্চ মূল্য দিয়েছেন, তা আমার বোধগম্য নয়। এখন এ শেয়ার নিয়ে কোনো ধরনের কারসাজি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত। পাশাপাশি অতিমূল্যায়িত এ শেয়ার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের এখনই সচেতন থাকা উচিত বলে মনে করি।

একই ধরনের মন্তব্য করেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তারা বলেন, এখন এই শেয়ারের যে দর রয়েছে, তা প্রকৃত দর নয়। এটা কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ বিএসইসিসহ সবাইকে ম্যানেজ করে বাজারে এসেছে ওয়ালটন। বিএসইসির আগের কমিশনের আমলে কোম্পানিটির অনুমোদন দেওয়া হলেও বর্তমান কমিশন তা রিভিউ করতে পারত। কিন্তু তা করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে রাকিব হাসান নামে এক বিনিয়োগকারী বলেন, ‘কোম্পানিটি কম শেয়ার ছেড়ে শেয়ারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। তারা যদি বাজারে ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়ত তাহলে এই শেয়ারের কাট অফ প্রাইস কোনোভাবেই ১৫০ টাকার বেশি হতো না। আর ২০ শতাংশ শেয়ার ছাড়লে দর চলে আসত ১০০ টাকার নিচে। আমি মনে করি, এই কোম্পানির আরও বেশি শেয়ার উš§ুক্ত করা প্রয়োজন ছিল। তাহলে আসল দর বোঝা যেত।’

জানা গেছে, বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে কোম্পানির কাট অফ প্রাইস নির্ধারিত হয় ৩১৫ টাকা। যদিও কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদনে দুই বছরের মুনাফার মধ্যে বড় ধরনের ফারাক দেখা গেছে। ২০১৮-১৯ সালে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা ২৯১ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির মোট ৫ হাজার ১৭৭ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে, যার বড় অংশ বিক্রি দেখানো হয়েছে একই গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজার কাছে। এসব পণ্য বিক্রির বড় অংশই হয় বাকিতে। এ বাকিতে বিক্রির অর্থই মুনাফা হিসাবে দেখানো হয়েছে। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির ১ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা মুনাফা হয়েছে, আগের বছর যা ছিল ৩৫২ কোটি টাকা।

সাধারণত বহুজাতিক কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে কমসংখ্যক শেয়ার ছাড়তে দেখা যায়। তবে সেসব কোম্পানির আর্থিক অবস্থা বা মৌলভিত্তি থাকে অনেক শক্তিশালী। সংশ্লিষ্টদের মতে, ওয়ালটন অপেক্ষাকৃত দুর্বল ভিত্তি ও কম শেয়ার নিয়ে বহুজাতিক কোম্পানির মতো আচরণ করছে। বাজারে বর্তমানে বিনিয়োগকারী রয়েছেন প্রায় ২৩ লাখ। আর ওয়ালটনের শেয়ার ৩০ লাখের কম। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীর তুলনায় শেয়ার সংখ্যা অনেক কম।

এদিকে বাজারে সর্বোচ্চ বাজার মূলধনধারী কোম্পানি রয়েছে, সেগুলোর সেসব কোম্পানির শেয়ারদরের সঙ্গে ওয়ালটনের শেয়ারদরের অনেক ফারাক রয়েছে। বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে সর্বোচ্চ বাজার মূলধন রয়েছে গ্রামীণফোনের। বর্তমানে এই কোম্পানির বাজার মূলধন প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। বাজারে এখন এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হচ্ছে ৩৩৩ টাকা ২০ পয়সায়।

অন্যদিকে কয়েক দিন দর কমলেও। তালিকাভুক্তির পর টানা দর বৃদ্ধির কারণে বর্তমানে সর্বোচ্চ বাজার মূলধনধারী কোম্পানির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ওঠে এসেছে ওয়ালটন। গতকাল পর্যন্ত কোম্পানিটির বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। এই কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা হচ্ছে গ্রামীণফোনের শেয়ারের দ্বিগুণেরও বেশি দরে। সর্বশেষ কার্যদিবসে এ শেয়ার ৭৬৭ টাকা ৪০ পয়সায় কেনাবেচা হয়।

এরপরে আছে ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো। বর্তমানে এ কোম্পানির বাজার মূলধন ১৯ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত। এই কোম্পানির শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন শেষ হয় ১ হাজার ৭১ টাকা। তালিকার চারে আছে স্কয়ার ফার্মা। কোম্পানিটির বাজার মূলধন আছে প্রায় ১৭ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা। সর্বশেষ এ শেয়ার লেনদেন হয় ২০৬ টাকা ১০ পয়সায়। অর্থাৎ এই কোম্পানির শেয়ারদরের চেয়ে ওয়ালটনের শেয়ার লেনদেন হচ্ছে চার গুণেরও বেশি দরে, যা অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

পরের স্থানে থাকা ইউনাইটেড পাওয়ারের বাজার মূলধন আছে ১৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। সর্বশেষ তাদের শেয়ার লেনদেন শেষ হয়েছে ২৮৭ টাকা ৪০ পয়সায়। পরের অবস্থানে থাকা রেনাটার বাজার মূলধন ১০ হাজার ১৭৮ কোটি টাকার বেশি। গতকাল এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয় এক হাজার ১৪৯ টাকায়। ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন বাংলাদেশ (আইসিবি) আছে তালিকার সাতে। তাদের বাজার মূলধন আছে সাত হাজার ৩৯০ কোটি টাকার বেশি এবং লেনদেন শেষ হয়েছে ৯৬ টাকা ৩০ পয়সায়। তালিকার আটে থাকা বহুজাতিক কোম্পানি বার্জার পেইন্টের বাজার মূলধন আছে ছয় হাজার কোটি টাকার বেশি। সর্বশেষ এই কোম্পানির লেনদেন শেষ হয়েছে এক হাজার ৩৪০ টাকা ৬০ পয়সায়।

তালিকার পরের অবস্থানে রয়েছে ম্যারিকো। এদের বাজার মূলধন ছয় হাজার ৫০০ কোটি টাকার বেশি এবং লেনদেন শেষ করেছে দুই হাজার ১১০ টাকা ৮০ পয়সায়। এছাড়া দশে থাকা ব্র্যাক ব্যাংকের বাজার মূলধন হলো প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা এবং লেনদেন শেষ হয়েছে ৩৩ টাকা ৪০ পয়সায়।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাজারসংশ্লিষ্ট একজন বলেন, এই কোম্পানিটি বাজারে নতুন এসেছে যে কারণে বিএসইসি হয়তো অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। তবে এ শেয়ার নিয়ে কোনো কারসাজি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। কারণ বড় বাজার মূলধনধারী কোম্পানির শেয়ারের তুলনায় এই শেয়ারদর অস্বাভাবিকহারে বাড়ছে। এখান থেকে বিনিয়োগকারীদের বড় ধরনের লোকসানের শঙ্কাও রয়েছে।

বিষয়টি জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, প্রতিষ্ঠানটি যখন বাজারে আসে তখন থেকেই এটা নিয়ে কথা উঠেছে। সবাই বলছে প্রতিষ্ঠানটির কাট অফ প্রাইস বেশি হয়ে গেছে। এখানে তো আমাদের কিছুই করার নেই। যোগ্য বিনিয়োগকারীরা যেভাবে দর দিয়েছেন, সেভাবেই কাট অফ প্রাইস ঠিক হয়েছে।

তিনি বলেন, লেনদেন শুরুর পর থেকে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়ে উচ্চ দরে চলে গেছে। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের কারসাজি হচ্ছে কি না কিংবা কৃত্রিমভাবে দর বাড়ানো হচ্ছে কি না, সেই বিষয়গুলোতে আমরা নজর রাখছি। বিনিয়োগকারীরা যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন আমরা সেদিকেই নজর রাখব।

অন্যদিকে বিষয়টি জানতে যোগাযোগ করা হলে ওয়ালটনের কোম্পানি সেক্রেটারি পার্থ প্রতিম মজুমদার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

প্রসঙ্গত, বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ২৯ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৩টি সাধারণ শেয়ার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে ইস্যু করেছে ওয়ালটন। এর মধ্যে ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ৩৬৭টি সাধারণ শেয়ার যোগ্য বিনিয়োগকারীরা কিনেছেন। যোগ্য বিনিয়োগকারীদের বিডিংয়ে তাদের প্রস্তাব করা দামে শেয়ার কিনতে হয়েছে। বাকি ১৫ লাখ ৪৮ হাজার ৯৭৬টি সাধারণ শেয়ার ২৫২ টাকা মূল্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীর (অনিবাসী বাংলাদেশিসহ) কাছে ইস্যু করা হয়েছে। ৩০২ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিতে বর্তমানে ব্যাংকঋণ দুই হাজার ৫৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে স্বল্পমেয়াদি ঋণ এক হাজার ৯২০ কোটি এবং দীর্ঘমেয়াদি ৬২০ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতিসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ২৪৩ টাকা ১৬ পয়সা এবং পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতি ছাড়া নিট সম্পদ মূল্য ১৩৮ টাকা ৫৩ পয়সা। আর বিগত পাঁচটি অর্থবছরের ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি আয় ২৮ টাকা ৪২ পয়সা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

17 + 4 =