Templates by BIGtheme NET
১৩ কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২৯ অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ১১ রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি
Home » বিবিধ » ভয়ঙ্কর সাইবার বুলিংয়ের শিকার কিশোর-কিশোরীরা, রেহাই পেতে করণীয়

ভয়ঙ্কর সাইবার বুলিংয়ের শিকার কিশোর-কিশোরীরা, রেহাই পেতে করণীয়

প্রকাশের সময়: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০, ৩:২৬ অপরাহ্ণ

ইন্টারনেটের এই সময়ে এসে নানা ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন নেটিজেনরা। এখানে সাইবার অপরাধীদের ফাঁদ বেশ পরিচিত একটি বিষয়। এর সাথে নতুন করে যোগ হয়েছে ভয়ঙ্কর সাইবার বুলিংয়ের। যার শিকার হচ্ছে সব বয়সের মানুষেরাই। তবে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর-কিশোরীরা এর থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সাধারণত ভার্চুয়াল প্ল্যাটফরমে কারো ব্যক্তিগত দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করা, ভয় দেখানো বা মানসিক নির্যাতন ও অন্যায় কোনো কিছুতে প্রলুব্ধ করা ইত্যাদি হলো সাইবার বুলিং।

এছাড়া মোবাইল ফোন বা ই-মেইলেও বুলিংয়ের ঘটনা ঘটছে। এর ফলে ভুক্তভোগীর মধ্যে প্রচণ্ড হতাশা, পড়াশোনায় অমনোযোগিতা, অনিদ্রা ইত্যাদি নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে আত্মহননের ঘটনাও ঘটে।

মূলত এটি এক ধরনের সাইবার অপরাধ। তবে এসব অপরাধ দমনে আইনও রয়েছে দেশে। দরকার শুধু সচেতন থাকা।

জানা গেছে, বাংলাদেশে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীসহ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের একটি বড় অংশ সাইবার বুলিংয়ের শিকার।

সরকারি হিসাব মতে, দেশের তিন-চতুর্থাংশ নারীই সাইবার বুলিংয়ের শিকার। তবে এ বিষয়টি অপ্রকাশিতই থেকে যায়। মাত্র ২৬ শতাংশ অনলাইনে নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ করে অভিযোগ দায়ের করেন। বাকিরা ভয়ে থাকেন অভিযোগ করলেই তাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হতে হবে ভেবে।

সাইবার বুলিং থেকে রেহাই পেতে করণীয় :

মনে রাখতে হবে, সাইবার বুলিংয়ে চুপ থাকার নীতিই বড় ক্ষতির অন্যতম কারণ। এর ফলে অপরাধীরা আরো বেশি সুযোগ নেয়।

সাইবার বুলিংয়ে আক্রান্ত হলে কখনোই আপনি সাড়া দেবেন না এবং নিজেও পাল্টা আক্রমণ করবেন না।

বুলিংয়ের শিকার যেহেতু নারীরা বেশি হন এবং তারা তাদের সমস্যাগুলো পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করতে হবে। বিশেষ করে বাবা-মায়ের সাথে। তবে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করলে অবশ্যই একজন বন্ধু, আত্মীয়, ভাই বা বোনকে জানাতে হবে।

সব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টেই ব্লকের অপশন থাকে। প্রাথমিক বুলিং হলে বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অসংলগ্ন কথা বললে তাকে ব্লক করে দিতে পারেন।

যদি বুলিং থেকে সেটি বড় ধরনের হুমকিতে পরিণত হয়, যা শারীরিক আক্রমণ, জীবননাশের হুমকি বা বড় ধরনের মানসম্মানহানির কারণ হতে পারে, সেই ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে কাছের থানার সাহায্য নিতে হবে।

যেকোনো ধরনের আক্রমণ বা বুলিংয়ের শিকার হলে জরুরি পুলিশ সেবার জন্য ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯–এ কল করতে পারবেন। এটি বিনা মূল্যের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

2 + 6 =