Templates by BIGtheme NET
১৩ কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২৯ অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ১১ রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি
Home » বিশেষ সংবাদ » জাপানি বিজ্ঞানীদের নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন
উপকৃত হবে বাংলাদেশের কৃষকরা
Residential properties and greenhouses are seen surrounded by rice paddy fields in Gojome, Akita Prefecture, Japan, on Friday, Sept. 6, 2019. When it comes to Japan’s economy, there’s actually two of them. In Japan A, an urban-industrial corridor stretching about 300 miles from Tokyo through Osaka, you’ll find cutting-edge businesses and world-class wealth. In Japan B, which is just about everywhere else, small cities and towns are dying as people move to Japan A in search of opportunity. Photographer: Noriko Hayashi/Bloomberg

জাপানি বিজ্ঞানীদের নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন
উপকৃত হবে বাংলাদেশের কৃষকরা

প্রকাশের সময়: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০, ৯:০৫ অপরাহ্ণ

বিশ্বের জনপ্রিয় খাবারগুলোর একটি হচ্ছে চাল। বিশ্বের ৩৫০ কোটির বেশি মানুষের নিত্যদিনের আহার সিদ্ধ চাল। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বিশ্বের সবচেয়ে দামি চালের তালিকায় নাম লেখা রয়েছে কিনমেমাই প্রিমিয়াম চালের।

কিনমেমাই প্রিমিয়ামের প্রতি কেজি কিনতে খরচ করতে হয় ১০৯ ডলার বা প্রায় সাড়ে নয় হাজার টাকা! চালটির জন্মস্থান জাপান।

এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে উদ্বেগে থাকা কৃষকদের সুখবর জানিয়েছে জাপানি বিজ্ঞানীরা।

জাপানের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত একটি নতুন জাতের লবণ সহিষ্ণু ধান বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ অঞ্চলে কৃষকরা উপকৃত হবে বলে দাবি করে দেশটির বিজ্ঞানীরা।

জিনগত উন্নতির পথ খুঁজে বের করে এই ধানটি জাপানের জাতীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এনএআরও তৈরি করেছে বলে সম্প্রতি জানানো হয়।

জাপানের এনএআরও’র বিজ্ঞানীদের দাবি, তারা ধানের এমন এক জিন খুঁজে পেয়েছেন যা মূল বৃদ্ধির ‘অ্যাঙ্গেল’নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের এই দিনগুলোতে এই ধান আবিষ্কার আরও নতুন জাতের সন্ধান দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞানীরা।

গবেষকরা জানান, ২০৫০ সাল নাগাদ জাপানের উপকূলীয় এলাকাসহ পৃথিবীর কয়েকটি দেশের অর্ধেকের বেশি আবাদি জমি লবণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে এখনই ধানের উৎপাদন অনেকাংশে কমে গেছে।

গবেষকরা জানান, লবণাক্ত জমিতে এর ফলন কয়েক গুণ বাড়বে। অন্য জমিতেও সাধারণ ধানের মতো ফলন দেবে। ধান গাছের শিকড় জমির অবস্থা অনুযায়ী কীভাবে বেড়ে উঠবে তা এই জিনের মাধ্যমে নকশা করা সম্ভব।

এই জিনটি পাওয়া গেছে ইন্দোনেশিয়ার এক প্রকার ধানে, যার শিকড়গুলো স্থল পৃষ্ঠের বরাবর বেড়ে ওঠে। খরা ও উচ্চ মাত্রায় লবণাক্তযুক্ত মাটি ধানের চারাকে পানিতে বেড়ে উঠতে দেয় না। মাটি আবার অনেক শক্ত হয়।

যার কারণে লবণের আধিক্য চারাগাছগুলোর অক্সিজেন কমিয়ে দেয়। এই পরিবেশে ধানগাছ মাটির পৃষ্ঠতল বরাবর বেড়ে উঠতে পারলে বেশি প্রাণবন্ত হয়।

বিজ্ঞানীরা ২০১৫ সাল থেকে টানা চার বছর সাসানিশিক ধান ও ইন্দোনেশিয়ান ধানের শংকর প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন। জেনেটিক্যালি উন্নত এই ধান লবণাক্ত পানিতে ১৫ শতাংশ বেশি ফলন দেবে বলে দাবি করেন গবেষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

17 − 4 =