Templates by BIGtheme NET
২২ শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৬ আগস্ট, ২০২০ ইং , ১৫ জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
Home » ধর্ম ও জীবন » ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি কুরবানি দিতে পারবেন?

ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি কুরবানি দিতে পারবেন?

প্রকাশের সময়: জুলাই ৩০, ২০২০, ৯:০৫ অপরাহ্ণ

 

যার মালিকানায় সাড়ে সাত তোলা সোনা বা সাড়ে বায়ান্না তোলা রূপা বা তার মূল্যের সমপরিমাণ সম্পদ আছে- এমন প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুকীমের উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। কেউ যদি ঈদের দিন সকালেও নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হন তবে তার উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে। এমনকি একই পরিবারে যদি একাধিক ব্যক্তি নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক থাকেন তবে প্রত্যেকের উপর কুরবানি ওয়াজিব।
নিসাবের পরিমাণ হলো, নিত্যদিনের প্রয়োজন পূরণ এবং নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাদ দেয়ার পর সাড়ে বায়ান্ন তোলা পরিমাণ (৬১২.৩৬ গ্রাম) রূপা অথবা সাড়ে সাত তোলা (৮৭.৪৮ গ্রাম) পরিমাণ স্বর্ণ থাকা অথবা এর সমমূল্যের মালের মালিক হওয়া।

এখন প্রশ্ন হলো, নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক কিন্তু ঋণগ্রস্ত হলে তার কুরবানির হুকুম কী?

নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক যদি ঋণগ্রস্ত হয় তবে দেখতে হবে- ঋণের পরিমাণ কত? কেননা ঋণ পরিশোধ করে দিলে যে সম্পদ থাকবে, তা কি নেসাব পরিমাণ হবে?

– যদি ঋণ পরিশোধ করে দিলে কুরবানির সময়ে ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির নেসাব পরিমাণ সম্পদ না থাকে তবে ওই ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য কুরবানি আবশ্যক নয়।

– আর যদি ঋণ পরিশোধ করে দিলেও কুরবানির সময়ে সাময়িক ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে, তবে ওই ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য কুরবানি আবশ্যক।

টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, অলঙ্কার, ব্যবসায়িক পণ্য, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজনে আসে না এমন জমি, প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাড়ি এবং অপ্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র কুরবানীর নিসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

প্রয়োজনের অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার সমপরিমাণ হয়ে গেলে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব।

আলেমদের হিসেবে বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী যার কাছে ৫৫ হাজারের বেশি টাকা অতিরিক্ত থাকবে তার ওপর কুরবানি দেয়া ওয়াজিব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

twenty − fifteen =