Templates by BIGtheme NET
২২ শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৬ আগস্ট, ২০২০ ইং , ১৫ জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
Home » জাতীয় » তথ্য-প্রযুক্তির প্রসার : সফলতার মাপকাঠিতে সজীব ওয়াজেদ জয়

তথ্য-প্রযুক্তির প্রসার : সফলতার মাপকাঠিতে সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রকাশের সময়: জুলাই ২, ২০২০, ২:০১ অপরাহ্ণ

মোহাম্মাদ এনামুল হক এনা: বিশ্ব আজ বিপর্যস্ত করোনার ছোবলে। যেসব দেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে (আইসিটি) এগিয়ে তারা করোনাকালে বাড়তি সুফল পাচ্ছে। দ্রুত ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসারে এগিয়ে থাকা দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী রূপকল্প বাস্তবায়নে আইসিটি উপদেষ্টা হিসেবে পাশে পেয়েছেন সুযোগ্য সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয়কে। নেতৃত্বে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির আওতায় গত ১১ বছরে গড়ে ওঠা তথ্য-প্রযুক্তি অবকাঠামোই এ কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতে কাজে লাগছে বলে মনে করছেন তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

গত চার বছরে ডিজিটাল অর্থনীতিতে চমকপ্রদ অগ্রগতি অর্জন করে হুয়াওয়ের ‘গ্লোবাল কানেক্টিভিটি ইনডেক্স ২০১৯’-এর ‘টপ মুভার’ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ বছরেরও কম সময়ের পথচলায় জিসিআই সূচকে সাত পয়েন্ট এগিয়েছে বাংলাদেশ।

এদিকে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন ১ জুলাই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সাথে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের এক বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশের আইসিটি খাত পৃথিবীর অনেক দেশ থেকে এগিয়ে। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আইসিটি খাতসহ বিভিন্ন খাতের অভূতপূর্ব উন্নয়নের প্রশংসা করেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক বলেন, ‘আমাদের বড় সৌভাগ্য যে আমরা একজন তরুণ এবং মেধাবী নেতা পেয়েছি, যিনি ডিজিটাল বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশন দিয়েছেন সেখানে সজীব ওয়াজেদ জয় ভাইয়ের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা ছিল। এর সমস্ত রোডম্যাপ, পলিসি, অবকাঠামোয় আমাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয় ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত ছিল বড় টার্নিং পয়েন্ট। এর সুফল আজ আমরা পাচ্ছি। উনার নির্দেশনায় প্রতিষ্ঠিত পাঁচ হাজার ৬০০ ডিজিটাল সেন্টার থেকে ৬০০ ধরনের সেবা পাচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। এটা এখন ডিজিটাল ইকোনমিক হাব হয়েছে, যেটা জয় ভাইয়ের ব্রেনচাইল্ড ছিল।

প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগবান্ধব নীতি ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত এবং জয় ভাইয়ের বিচক্ষণতায় আমরা আজকে দেশে ডিজিটাল স্মার্টফোন ও ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন করছি, যা আগে প্রয়ে পুরোটাই আমদানি করতে হতো। উনার আরেকটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ছিল ৯৯৯ জরুরি সেবা, যার সুফল পাচ্ছে কোটি মানুষ।’

২০২০ সালের মধ্যে গ্রামের ১০ কোটি মানুষ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের আওতায় আসবে। আর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে দুই কোটি মানুষের। এ ছাড়া ২০২১ সালের মধ্যে আইসিটি পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আয় হবে। ফলে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ১ শতাংশের বেশি বাড়বে বলে আশা করছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ড. এম কায়কোবাদ বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন আমাদের দেখিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয়, সেটা আজ বাস্তবতা। আমরা এখন ঘরে বসে অনেক কাজ করছি, অনলাইনে শিক্ষকরা ক্লাস নিচ্ছেন, জরুরি মিটিং সারা যাচ্ছে।’ .

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা এবং আমাদের আইসিটি উপদেষ্টা মহোদয়ের যোগ্য নির্দেশনায় আমরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষপণ করেছি, দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আগামী বছর ফাইভজি চালুর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

3 + 11 =