Templates by BIGtheme NET
২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৬ জুন, ২০২০ ইং , ১৩ শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » আন্তর্জাতিক » গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন
করোনা ভাইরাস বিলীন হবেনা কখনোই!

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন
করোনা ভাইরাস বিলীন হবেনা কখনোই!

প্রকাশের সময়: মে ২৩, ২০২০, ৩:২৪ অপরাহ্ণ

মোহাম্মাদ এনামুল হক এনা: করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপি হানা দেওয়ার প্রায় ৫ মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এর কোনও প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়নি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে দিন-রাত গবেষণা চলিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত আশানুরূপ কার্যকর কোনও ফল পাওয়া যায়নি।

এর মধ্যেই করোনাভাইরাস ও এর চিকিৎসা নিয়ে প্রকাশ্যে এল একটি ভয়ঙ্কর তথ্য।। আর সেটি হচ্ছে কোনওদিনও আসবে না করোনার ভ্যাকসিন, পৃথিবী থেকেও বিলীন হবে না এই ভাইরাস।

২২ মে বৃটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের বিজ্ঞান সম্পাদক ইয়ান স্যাম্পল এক নিবন্ধে ভ্যাকসিন না আসার বিস্তারিত পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। তিনি নিবন্ধে ‘হার্ড ইমিউনিটি’কেই শেষ পর্যন্ত করোনা মোকাবেলার বাস্তব উপায় বলে ভাবছেন।

ইয়ান স্যাম্পল লেখেন, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় একটি ভ্যাকসিন তৈরির সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তারা ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দিতে চায় এর পরীক্ষার জন্য। ইংল্যান্ডের সরকারও সর্বোচ্চ চেষ্টা জারি রেখেছে ভ্যাকসিন আবিষ্কারে।

তবে ইংল্যান্ডের উপপ্রধান মেডিকেল অফিসার জনাথন ভ্যান-টাম বলেছেন, ‘আমরা নিশ্চিত নই যে একটা ভ্যাকসিন আমরা তৈরি করতে পারব’।

তিনি লেখেন, করোনাভাইরাসের কারণে মানুষ একই রোগে বারবার ভোগে। যেমন ঠান্ডাজনিত রোগ। এসবের বিরুদ্ধে মানুষের শরীরে প্রতিরোধ তৈরি হলেও কিছুদিন পর তা কমে আসে। ফলে এই রোগে তারা আবার আক্রান্ত হয়।

করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রেও যা হওয়ার সুযোগ আছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, কোভিড-১৯ বিজয়ীদের শরীরে অ্যান্টিবডি প্রথম মাসের পর থেকেই কমতে থাকে।

ভ্যাকসিন কার্যকর না হওয়ার কারণ হল, ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় ভাইরাসের ঘন ঘন জিন পরিবর্তন। কোভিড-১৯ রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসের ‘স্পাইক’, যার মাধ্যমে সে মানবদেহে প্রবেশ করে তা বারবার পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। ফলে কোনও একটি ভ্যাকসিন কখনও কাজে লাগলেও তার কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাবে।

এসব ভ্যাকসিনের কারণে মানব শরীরে কী প্রতিক্রিয়া হয় তা নিয়েও রয়েছে আতঙ্ক। সার্স ও মার্স ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর প্রাণীরা মারাত্মক শ্বাস-প্রশ্বাসের জটিলতায় পড়ে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

3 × 1 =