Templates by BIGtheme NET
২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৬ জুন, ২০২০ ইং , ১৩ শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » জাতীয় » সুন্দরবন যখন আশীর্বাদ
যে কারণে আম্পানে ক্ষতি কম বাংলাদেশের

সুন্দরবন যখন আশীর্বাদ
যে কারণে আম্পানে ক্ষতি কম বাংলাদেশের

প্রকাশের সময়: মে ২২, ২০২০, ৮:০৫ অপরাহ্ণ

ঘূর্ণিঝড় আম্পান কলকাতা শহর লণ্ডভন্ড করে দিয়ে গেছে। ঢাকার অবস্থাও তাই হতো যদি না মাঝখানে সুন্দরবন থাকতো।

বাংলাদেশের উপকূলে প্রবেশের সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতি ছিলো ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার।

কিন্তু সুন্দরবনে বাধা পেয়ে ঝড়ের গতি দাঁড়ায় ১৫১ কিলোমিটারে। অর্থাৎ সুন্দরবনই ৭০ কিলোমিটার গতি কমিয়ে দিয়েছে।

অন্যদিকে ভারতেও প্রায় ২২০ কিলোমিটার গতিতে প্রবেশ করে ঘূর্ণিঝড় আম্পান। তবে সুন্দরবণের মতো কোন বাধা না থাকায় ঝড়টি সরাসরি আঘাত হানে লোকালয়ে। ফলে বসতবাড়ী ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

পশ্চিমবঙ্গে ধংসযজ্ঞ চালিয়ে আম্পান যখন কলকাতা শহরে আঘাত হানে তখন এর গতি ছিলো ঘন্টায় ১১২ কিলোমিটার।

এদিকে দক্ষিনের জেলাগুলো পেরিয়ে আম্পান যখন ঢাকায় পৌছায় তখন এর গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ৭২ কিলোমিটার।

ফলে ঢাকায় তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি কিন্তু কলকাতা লন্ডভন্ড হয়ে গেছে।

তবে উভয় দেশেই ফসলের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া সুন্দরবণে বাধা পেয়ে ১৮ ফুটের জলোচ্ছাস ১২ ফুটে নেমে আসে। পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে প্রায় ৪ ফুট জলোচ্ছাস কম হয়েছে বাংলাদেশে।

১৯৮৮ ও ১৯৯৭ সালের ঘূর্ণিঝড়, ২০০৭ সালে সিডর, ২০০৯ সালে আইলা, ২০১৬ সালে রোয়ানু, ২০১৮ সালে বুলবুল ও ২০১৯ সালের ফণীর ক্ষয়ক্ষতি এভাবেই কমিয়ে দিয়েছিলো সুন্দরবন।

এসব ঝড়ে সুন্দরবনও যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। তবে প্রতিবারই এই ক্ষতি ধীরে ধীরে পুষিয়ে নিয়েছে।

তবে পরিবেশবিদরা বলছেন, একটি বণ প্রাকৃতিক কারণেই তার ক্ষতি পুষিয়ে নেয়। কিন্তু মানুষ যেভাবে বণাঞ্চল ধংস করছে সেই ক্ষতি হয়তো কখনোই পোষানো যাবে না।

আর এর ফল ভোগ করতে হবে আমাদেরই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

seven + seven =