Templates by BIGtheme NET
২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৬ জুন, ২০২০ ইং , ১৩ শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » করোনাভাইরাস » করোনাভাইরাস : হঠাৎ তরুণ বয়সীদের মৃত্যু হচ্ছে স্ট্রোক-হার্ট অ্যাটাকে !

করোনাভাইরাস : হঠাৎ তরুণ বয়সীদের মৃত্যু হচ্ছে স্ট্রোক-হার্ট অ্যাটাকে !

প্রকাশের সময়: মে ২০, ২০২০, ৯:৩১ অপরাহ্ণ

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে তরুণ বয়সীদের মৃত্যুর সংখ্যা। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশেও কিছু তরুণ বয়সী মানুষ মারা গেছেন যারা কভিড-১৯ পজিটিভ ছিলেন। তবে অবাক বিষয় হচ্ছে, যারা মারা যাচ্ছেন তাদের মৃত্যুর কারণ করোনা নয়, বরং স্ট্রোক কিংবা হার্ট অ্যাটাক।

সম্প্রতি এই প্রশ্নটিরই উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, আক্রান্ত তরুণরা কোভিডের সিম্পটমের কারণে যতটা না মারা যাচ্ছে, তার চেয়ে বেশি মারা যাচ্ছে ব্রেইনের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেঁধে অথবা হৃদপিন্ডের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেঁধার ফলে। গড়ে তাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছর।

বিজ্ঞানীরা বলেন, করোনা-আক্রান্ত এবং হঠাৎ স্ট্রোক করা রোগীদের উপসর্গগুলো হচ্ছে- কথা আটকে যাওয়া, তোতলানো, কনফিউশন, কাউকে চিনতে না-পারা, মুখের একদিক/ একহাত ঝুলে পরা ইত্যাদি। রোগীকে হাসতে বললে দেখা যাবে একপাশের ঠোঁট কাজ করছে, অন্যপাশ ঝুলে পরেছে।

পাশাপাশি হার্ট অ্যাটাক সিম্পটমগুলোর মধ্যে বুকে ব্যাথা, প্রবল অস্বস্তি/ ঘাম, দম ফুরানো, পেটে গ্যাস ভাব, বুক ধড়ফড়, চোয়াল ব্যথা, মাথা ঝিমঝিম ইত্যাদি দেখা গেছে বলেও জানায় বিজ্ঞানীরা।

এদিকে আমেরিকার একটি হাসপাতালে অন্য একটি গবেষণায় কিছু অদ্ভুত বিষয় লক্ষ্য করেছেন চিকিৎসকরা। তারা দেখেছেন, করোনা পজেটিভ তরুণের ব্রেইনের যেখানে রক্ত জমাট বেঁধেছে সেই অংশটি পরিষ্কার করামাত্র তার আশেপাশের রক্তনালীগুলোতে তাৎক্ষণিকভাবে নতুন রক্ত জমাট বেঁধে রক্তনালী ব্লক করে দিচ্ছে।

এ বিষয়ে আমেরিকার বাল্টিমোরের জন হপকিন্স হাসপাতালের ডা. রবার্ট স্টিভেন্স বলেন, এটি একটি আশ্চর্য ঘটনা। সাধারণ স্ট্রোক রোগীর এ রকম হয় না! তিনি বলেন, হতে পারে করোনা জীবাণুটি রক্তে গিয়ে রক্তের বিশেষ ধরনের পরিবর্তন করার কারণেই স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের ঘটনাগুলো ঘটছে। আক্রান্তকারীর রক্তনালীর গায়ে তৈরি হওয়া ব্লাডক্লটগুলোই ফুসফুসের রক্তনালীতে আটকে গিয়ে মৃত্যুর কারণ ঘটাচ্ছে। এমনও হতে পারে জীবাণুটি সরাসরি নয়, আমাদের ইমিউন সিস্টেমেরই পাল্টা আক্রমণের শিকার হচ্ছি আমরাই। তবে এ ব্যাপারে আরও গবেষণার প্রয়োজন বলেও জানান ডা. রবার্ট স্টিভেন্স।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

1 × two =