Templates by BIGtheme NET
২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৬ জুন, ২০২০ ইং , ১৩ শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » ধর্ম ও জীবন » লাইলাতুল কদরে করণীয়, ফজিলত ও গুরুত্ব

লাইলাতুল কদরে করণীয়, ফজিলত ও গুরুত্ব

প্রকাশের সময়: মে ২০, ২০২০, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ

নিজস্ব সংবাদদাতা: ‘শব’ অর্থ রাত বা রজনী। কদর অর্থ সম্মানিত, মহিমান্বিত। সুতরাং লাইলাতুল কদরের অর্থ সম্মানিত রজনী বা মহিমান্বিত রজনী।

লাইলাতুল কদরে আমাদের করণীয়: কদরের ফজিলত পাওয়ার উদ্দেশ্যে কিছু নফল ইবাদত করা, নফল নামাজ আদায় করা। কোরআন তেলাওয়াত করা, তাছবীহ তাহলীল পাঠ করা কর্তব্য। দুই দুই রাকআত করে নফলের নিয়ত করে যেকোনো সূরাই সূরা ফাতেহার সঙ্গে মিলিয়ে নামাজ পড়া যাবে।

লাইলাতুল কদর হলো বছরের শ্রেষ্ঠ রাত। এ রাতের শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো ক্ষমা চাওয়ার দোয়া। এ রাতে মহানবী (সা.) ক্ষমা চাওয়ার দোয়া শিক্ষা দিলেন যে, তুমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাও, ক্ষমা পাওয়ার জন্য দোয়া করো।

এ রাতে সম্পর্কে ফুকাহায়ে কিরামগণ বলেছেন যে, এ রাতে ইবাদাতের পূর্বে যদি কেউ গোসল করে নিতে পারে তার সেটাই উত্তম।

এ রাতের ফজিলত: এ রাতের ফজিলত হচ্ছে সূরা কদর নাজিল হওয়া। যে সূরাতে শবে কদরের মর্যাদা সম্পর্কে আল্লাহ বলেন “লাইলাতুল কদর হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম”।

এ পরিচয়ের পর আরও বিস্তৃত বর্ণনায় আল্লাহ তায়ালা বলছেন, “এ রাতে ফেরেশতারা এবং জিবরাইল তাঁদের রবের অনুমতি ক্রমে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে (পৃথিবীতে) অবতরণ করে ; আর ফজরের সময়কাল পর্যন্ত এ শান্তিপূর্ণ রজনীর দৈর্ঘ্য”।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াব লাভের আশায় লাইলাতুল কদরে রাত জেগে নফল নামায আদায় করবে, ইবাদত করবে তার পূর্বের সমস্ত সগীরা গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে”। (বুখারী : ১৯০১)

ইবনে মাজাহ নামক হাদিস গ্রন্থে বর্ণিত রয়েছে, প্রিয় নবী সাবধান করে দিয়ে বলেন, “যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর থেকে বঞ্চিত হলো সে যেন সমগ্র কল্যাণ থেকে পরিপূর্ণ বঞ্চিতহলো”।

আবু দাউদ নামক হাদিস গ্রন্থে রয়েছে, রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর পেলো কিন্তু ইবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করতে পারলোনা তার মতো হতভাগা-বদ নসিব আর কেউ নেই”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

1 + eight =