Templates by BIGtheme NET
২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৬ জুন, ২০২০ ইং , ১৩ শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » করোনাভাইরাস » করোনার প্রভাব
রফতানির তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন পণ্য

করোনার প্রভাব
রফতানির তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন পণ্য

প্রকাশের সময়: মে ১৯, ২০২০, ৬:৩১ অপরাহ্ণ

মহামারি করোনা পণ্যের বৈশ্বিক চাহিদায় ধস নামালেও রফতানি খাতের জন্য কিছু সম্ভাবনাও নিয়ে এসেছে। করোনায় পুরো বিশ্বে বেড়েছে মাস্ক ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা উপকরণ (পিপিই) চাহিদা।

এ ছাড়াও রফতানি তালিকায় যুক্ত করেছে মেডিকার্ট রোবট ও জীবাণুনাশক রিমোট কন্ট্রোল ইউভি-সি সিস্টেম, ভেন্টিলেটর, ফেস প্রটেকটিভ শিল্ড, সেফটি গগলস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও থার্মোমিটারের মতো নতুন কিছু পণ্য।

এরই মধ্যে দেশের তৈরি পোশাক খাতের প্রায় ৩৬টি প্রতিষ্ঠান পিপিই পণ্য উৎপাদন সক্ষমতার তথ্য জানিয়েছে। শুধু পিপিই নয়, মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ও সলিউশন তৈরি করছে দেশের কিছু প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে ওয়ালটন, মিনিস্টার, স্কয়ার ও এসিআইয়ের নাম উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া রফতানির ক্ষেত্রে অতিসম্প্রতি জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফ্যাব্রিকস লিমিটেডের উৎপাদিত করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী বিশেষ কাপড় দিয়ে মাস্ক, পিপিইর মতো সুরক্ষা সামগ্রীর পাশাপাশি শার্ট, প্যান্ট, জ্যাকেটসহ সব ধরনের পোশাক তৈরি করা যাবে।

করোনা ব্লক নামের এই বিশেষ কাপড় ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ করোনা ভাইরাস এ কাপড়ের সংস্পর্শে আসার ১২০ সেকেন্ড বা দুই মিনিটের মধ্যে ধ্বংস হবে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে কাপড়টি বাজারজাত করার জন্য আন্তর্জাতিক মান সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সনদ নিয়েছে।

রফতানিতে বৈচিত্র্য আনবে এমন কিছু পণ্যের চাহিদা এরই মধ্যে আসতে শুরু করেছে, যেমন নন-ওভেন মাস্ক রফতানি হচ্ছে। ৩৬টি কারখানা আছে যারা কিছু সুরক্ষা উপকরণ বানাচ্ছে, যেমন হ্যান্ড গ্লাভস, জুতার কভার, মাস্ক ইত্যাদি।

এছাড়া থার্মোমিটার, ভেন্টিলেটরসহ বেশকিছু মেডিকেল ইকুপমেন্টও তৈরি হচ্ছে দেশে। বিদেশীরা যারা বাংলাদেশ থেকে সুরক্ষা উপকরণ নিতে আগ্রহী তারা জানতে চাইছেন পণ্যগুলো সনদপ্রাপ্ত কিনা, মানসম্পন্ন কিনা। সনদসংক্রান্ত কারণেও অনেক পণ্য রফতানি করা যাচ্ছে না।

কোম্পানিগুলোর নির্বাহী পরিচালকরা জানিয়েছেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে দেশের তৈরি ইকুইপমেন্টের বিষয়ে জানানোও হয়েছে। সরকারের সহযোগিতায় অচিরেই পণ্যগুলোর রফতানি করা সম্ভব হবে।

রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোও (ইপিবি) বলছে, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে এরই মধ্যে মাস্ক বা কিছু পিপিই উপকরণ রফতানি শুরু হয়েছে। তবে প্রতিবেশী দেশগুলোতে সনদের বাধ্যবাধকতা না থাকলেও পশ্চিমা দেশগুলোতে রফতানির ক্ষেত্রে সনদের বাধ্যবাধকতা চাওয়া হচ্ছে।

এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে সুরক্ষা উপকরণের মতো পণ্যগুলোর ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে এই পণ্যগুলো রফতানি ঝুড়িতে নতুন সংযোজন। আগামী এক বছর এ ধরনের পণ্যের চাহিদা থেকেই যাবে।

সরকার এ ধরনের পণ্য উৎপাদকদের সহযোগিতায় তাদের পাশে আছে। যে কোনো ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হয় সরকার করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

nine + eleven =