Templates by BIGtheme NET
২২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৫ জুন, ২০২০ ইং , ১২ শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » বিজ্ঞান- প্রযুক্তি » বিস্ময়কর মানবদেহ
ভাইরাসের বিরুদ্ধে যেভাবে যুদ্ধ করে শরীর

বিস্ময়কর মানবদেহ
ভাইরাসের বিরুদ্ধে যেভাবে যুদ্ধ করে শরীর

প্রকাশের সময়: এপ্রিল ৮, ২০২০, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ

আমাদের চারপাশে অন্তত ২০০ প্রজাতির ভাইরাস রয়েছে যারা প্রতিনিয়তই শরীরে প্রবেশ করে।

বেশিরভাগ ভাইরাসই স্বেত রক্তকনিকার সঙ্গে যুদ্ধে মারা যায়। যা আমরা টের পাই না।

সমস্যা হয় যখন কোন শক্তিশালী ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে।

ভাইরাস কোন খাবার খায় না। কিন্তু শরীরের সেল ভেঙ্গে সেখান থেকে শক্তি সংগ্রহ করে।

এরপর ডুপ্লিকেশন অর্থাৎ ১টি থেকে দুটি তারপর চার, তারপর ৮, ১৬, ৩২ এভাবে বাড়তে থাকে।

ভাইরাসের উপস্থিতি মস্তিষ্ক সবার আগে টের পায়। সেখান থেকে নির্দেশনা আসে একে মেরে ফেলো অথবা বের করে দাও।

শরীরের এন্টিবডি প্রথমেই একে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু ভাইরাসটি শক্তিশালী হলে একে মেরে ফেলা সম্ভব হয় না। তখন শরীর ভাইরাসকে বাইরে পাঠানোর চেষ্টা করে।

ভাইরাস বের করার চেষ্টাটি সবচেয়ে মজার

এন্ডিবটি ভাইরাসটিকে বহণ করে নিয়ে গলা, নাক মুখের কাছে নিয়ে যায়। যেন হাঁচি কাশির মাধ্যমে ভাইরাসটি বের হয়ে যেতে পারে।

ভাইরাসের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি যুদ্ধ করে মিউকাস। আমরা যেটাকে শর্দি বলি।

এই মিউকাস নাক ও গলায় সবসময়ই কিছু মজুদ থাকে। যখন কোন ভাইরাস আক্রমন করে তখন মিউকাস বাড়তে থাকে।

এই মিউকাস অর্থাৎ শর্দি ক্রমাগত নাকে জড়ো হয় এবং নাক দিয়ে পানি পড়তে শুরু করে। এছাড়া গলায়ও কফ জমা শুরু হয়।

অন্যদিকে রক্তের স্বেত কনিকা শরীরের অভ্যন্তরে এই ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করে। এবং দেহে প্রচুর এন্টিবডি উৎপাদন করে।

শরীরের আরেকটি স্বভাব হচ্ছে গরম হয়ে যাওয়া। ফলে শরীরে জ্বর অনুভূত হয়।

বেশিরভাগ ভাইরাস এই জ্বরে মারা গেলেও শক্তিশালী ভাইরাস মরে না।

এসব ভাইরাসের ক্ষেত্রে রক্তকনিকা একা যুদ্ধ করে পারে না। বিভিন্ন রকমের এন্টিবডি এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামে।

শরীরের এই অবস্থাকে আমরা অসুস্থ বলি

অসুস্থ হলে আমরা যেসব অষুধ খাই সেগুলো সাধারনত ভাইরাসকে মারতে সাহায্য করে। এছাড়া এন্টি হিসটামিন জাতীয় ওষুধ মিউকাসের উত্তেজনাকে প্রশমিত করে।

আমাদের পরিচিত ২০০টি ভাইরাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভাইরাসের নাম ‘রাইনো’।

রাইনো ভাইরাসের আক্রমনে আমাদের শর্দি-কাশি থেকে ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া পর্যন্ত হতে পারে।

আর এই শ্রেনীরই সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ভাইরাসটির নাম কোভিড-১৯

যার বিরুদ্ধে আজ যুদ্ধ করছে সমগ্র মানবজাতি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

seventeen + 17 =