Templates by BIGtheme NET
২২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৫ জুন, ২০২০ ইং , ১২ শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » করোনাভাইরাস » একটির চাইতে আরেকটি বেশি সংক্রামক
এশিয়া ও ইউরোপের করোনা ভাইরাসের ধরণ ভিন্ন! (ভিডিও)

একটির চাইতে আরেকটি বেশি সংক্রামক
এশিয়া ও ইউরোপের করোনা ভাইরাসের ধরণ ভিন্ন! (ভিডিও)

প্রকাশের সময়: এপ্রিল ৬, ২০২০, ৭:২৮ অপরাহ্ণ

বিশ্বব্যাপী করোনা নিয়ে গবেষণায় দিন দিন নতুন তথ্য দিচ্ছে বিজ্ঞানীরা। এখন পর্যন্ত তাদের কেউই ভাইরাসটির প্রতিষেধক নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে উপনিত হতে পারেননি। জানা গেছে, প্রতিনিয়ত এর রূপ পরিবর্তন হচ্ছে। সেই সাথে বাড়ছে এর উপসর্গের ধরণও।

সম্প্রতি করোনা নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছেন ভিয়েতনামের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটের একদল গবেষক। তারা দাবি করেন, দুটি পৃথক গোষ্ঠীতে বিভক্ত করোনাভাইরাস। সেখানে আরও দাবি করা হয়, এশিয়ার করোনাভাইরাস থেকে ইউরোপের করোনা ভাইরাসের ধরণ ভিন্ন।

এ বিষয়ে ইনস্টিটিউটের উপ পরিচালক বলেন, গবেষণায় প্রথমে যে রোগীদের খোঁজ পাওয়া যায় তাদের অধিকাংশই ছিল এশিয়ার দেশ থেকে আসা। আর বর্তমানে যে রোগীদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে তাদের প্রায় সবাই ইউরোপের দেশ থেকে আসা। সব রোগীর দেহের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এশিয়া থেকে আসা এমন করোনা রোগীদের করোনাভাইরাস ইউরোপ থেকে আসা রোগীদের থেকে আলাদা।

গবেষণায় দেখা গেছে, আলাদা দু’টি করোনাভাইরাসের মধ্যে একটি সংক্রামক বা শক্তিশালী বেশি। আর পরিবেশ, ভৌগোলিক অবস্থান ও সংক্রমিত ব্যক্তির ওপরও নির্ভর করে ভাইরাসের শক্তিশালী দিকটি। তবে কোনটি বেশি সংক্রামক ও শক্তিশালী সে বিষয়ে কোনো ধারণা তাদের বক্তব্য থেকে জানা যায়নি

ইনস্টিটিউটের আবিষ্কারটি বিশ্বে করোনা ছড়িয়ে পড়ার সাধারণ ধারা অনুসরণ করেছে বলে জানিয়েছেন লি থাই কুয়ান।

এর আগে বেজিং ও সাংহাইয়ের বিশেষজ্ঞ দলও করোনাভাইরাসের দুটি ধরণের কথা উল্লেখ করেছেন। তারা বলছেন, আক্রান্তদের প্রায় ৭০ শতাংশই সংক্রমিত হয়েছেন এই ভাইরাসের সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ধরনটিতে। যেটি ছড়াতে শুরু করে জানুয়ারির শুরুর দিকে। যে কারণে সংক্রমিত হওয়ার পরপরই মানুষ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু বর্তমানে যে প্রজাতির হানায় মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন তা অনেক বেশি শান্ত।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, এভাবে ধরন বদলানোর কারণে ভাইরাসটির চিকিৎসা অথবা শনাক্তকরণ কঠিন হতে পারে। একই সঙ্গে আক্রান্ত হওয়ার পর যারা সুস্থ হয়েছেন তাদের পুনরায় এই ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত গবেষণা দরকার বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তারা।

সূত্র: ভিএনএস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

8 − eight =