Templates by BIGtheme NET
২১ চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৪ এপ্রিল, ২০২০ ইং , ১০ শাবান, ১৪৪১ হিজরী
Home » বিবিধ » অদ্ভুত রোগ সোয়েটিং সিকনেস
আজও জানা যায়নি যে মহামারির রহস্য!

অদ্ভুত রোগ সোয়েটিং সিকনেস
আজও জানা যায়নি যে মহামারির রহস্য!

প্রকাশের সময়: মার্চ ১৮, ২০২০, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : পঞ্চদশ ও ষষ্টদশ শতকে এক রহস্যময় মহামারি রোগ সোয়েটিং সিকনেস বা ‘ঘাম ঝরা রোগ’ ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল।

কিন্তু এখনো চিকিৎসা বিজ্ঞানের কাছে এটি রহস্যময় রোগ হিবেবেই রয়ে গেছে

এ রোগে মাথা ধরা, ঘাড়, কাঁধ এবং পায়ে তীব্র ব্যথা অনুভব করত। এ সময় রোগী মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ত।

পাশাপাশি রোগী প্রলাপ বকত। এক পর্যায়ে রোগী অবসন্ন হয়ে ঘুমিয়ে পড়ত। এই ঘুম থেকে আর জেগে উঠত না!

সোয়েটিং সিকনেস রোগের সবচেয়ে মারাত্মক দিক ছিল দ্রুত মৃত্যু

অধিকাংশ রোগীই লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার ১৮ ঘণ্টার মধ্যে মারা যেত।

আশ্চর্যজনক রহস্য হলো, কোনো রোগী যদি ২৪ ঘণ্টা বেঁচে থাকত তবে তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতেন।

জানা যায়, রোগটির ভয়ে ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম হেনরি ৮ লন্ডন থেকে পালিয়েছিলেন। রোগ থেকে বাঁচতে প্রতিরাতে ভিন্ন ভিন্ন বিছানায় ঘুমাতেন।

সোয়েটিং সিকনেস রোগটির আরেকটি অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য ছিল। রোগটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সম্পদশালী ও উপরের শ্রেণির লোকদের আক্রমণ করত।

বর্তমানে অনেক গবেষক মনে করেন রোগটির কারণ ছিল হান্টাভাইরাস। যা রোডেন্ট বা গর্তবাসী প্রাণী থেকে ছড়িয়েছিল।

আবার অনেক গবেষক মনে করেন, ভাইরাসটি আর্থ্রোপোডা পর্বের পতঙ্গ যেমন– এঁটুল (Tick) এবং মশার মাধ্যমে ছড়িয়েছিল।

ধারণা করা হয়, মুষলধারে বৃষ্টি এবং বন্যার পর এই রোগটি বিস্তার লাভ করত।

সমসাময়িক অনেক বিজ্ঞ পণ্ডিত ইংল্যান্ডের আর্দ্র জলবায়ুকে দায়ী করতেন।

উল্লেখ্য, সোয়েটিং সিকনেস বা ‘ঘাম ঝরা রোগ’ সম্পর্কে ঐতিহাসিকগণের মতভেদ রয়েছে ব্যাপক। এর প্রকৃত রহস্য আজও উদঘাটন সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

eighteen + thirteen =