Templates by BIGtheme NET
২৩ চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৬ এপ্রিল, ২০২০ ইং , ১২ শাবান, ১৪৪১ হিজরী
Home » খেলাধূলা » আবার বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ তামিম, এগিয়ে যাচ্ছে শান্ত

আবার বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ তামিম, এগিয়ে যাচ্ছে শান্ত

প্রকাশের সময়: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০, ২:৪৭ অপরাহ্ণ

স্পোর্টস ডেস্ক : ক্রিজে থিতু হয়েও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি বাঁহাতি ওপেনার তামিম ইকবাল। শান্তর সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন বড় সংগ্রহের দিকে। কিন্তু তাকে বেশি এগুতে দেননি ডোনাল্ড টিরিপানো। উইকেটরক্ষক চাকাবার হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তামিম আউট হয়ে গেলে ক্রিজে আসেন মুমিনুল হক।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ৯৭ রান। ক্রিজে আছেন মুমিনুল হক ১ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ৪৪ রানে।

হাসছে তামিম-শান্তর ব্যাট

১৮ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর ক্রিজে আসেন বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানো নাজমুল হোসেন শান্ত। ক্রিজে থাকা ওপেনার তামিম ইকবালকে সঙ্গে নিয়ে এগুতে থাকেন তিনি। দুজনের দ্বিতীয় উইকেটের জুটি থেকে আসে ৭৮ রান। ৪১ রান করে তামিম সাজঘরে ফিরে গেলে ভাঙে এই জুটি

স্বপ্ন পূরণের দিনে ব্যর্থ সাইফ হাসান

সাইফ হাসানের স্বপ্ন ছিল তামিম ইকবালের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ব্যাটিং করতে নামা। জিম্বাবুয়ের টেস্টকে সামনে রেখে অনুশীলনের সময় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেছিলেন এই ডানহাতি সম্ভাবনাময়ী ব্যাটসম্যান।

স্বপ্ন পূরণও হয়েছে, ব্যাট করতে নেমেছেন তামিমের সঙ্গে। কিন্তু ক্রিজে বেশিক্ষণ থাকতে পারলেন না। নাইউচির বলে খোঁচা দিয়ে উইকেটরক্ষক চাকাবার হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তার ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ৮ রান।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ২৫ রান। ক্রিজে আছেন তামিম ইকবাল ১০ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ৫ রানে। এখন মধ্যাহ্ন বিরতিতে গিয়েছে দুই দল।

জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংস

হাতে চার উইকেট, স্কোরবোর্ডে ২২৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করেছিল জিম্বাবুয়ে। ক্রিজে থাকা দুই ব্যাটসম্যান চাকাবা-টিরিপানো খেলছিলেন দেখে-শুনে। তাইজুল-রাহী দ্রুত তিন উইকেট তুলে নিলেও শেষ উইকেটের জুটিতে চাকাবা বেশ অস্বস্তি দিচ্ছিল। দশম উইকেটের জুটিতে নাইউচির সঙ্গে ২০ রানের জুটি গড়ে ব্যক্তিগত ৩০ রানে তাইজুলের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ১০৬ ওভার তিন বল খেলে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ২৬৫ রান।

প্রথম দিন তাইজুল উইকেটের দেখা না পেলেও দ্বিতীয় দিন দুই উইকেট নেন। বাকি দুই উইকেট নেন রাহী।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল শনিবার সাড়ে ৯টায় ম্যাচটি শুরু হয়। শুরুতে রাহী দ্রুত উইকেট তুলে নিলেও ধীরে ধীরে ম্যাচের নাটাই নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় জিম্বাবুয়ে।

আরভিনের সেঞ্চুরি আর মাসভাউরের হাফসেঞ্চুরিতে গতকাল প্রথম দিন শেষে দলটির সংগ্রহ ছয় উইকেট হারিয়ে ২২৮ রান।

তিন নম্বরে ব্যাটিং করতে নেমে ৩১৫ মিনিট মাঠে থেকে ২১৩ বলে ১৩ চারের মারে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন আরভিন। এই ম্যাচসহ ১৮ টেস্টের ক্যারিয়ারে এটি আরভিনের তৃতীয় সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরিটি আরও ঐতিহাসিক হয়ে থাকবে শততম ম্যাচের কারণে। এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে মুখোমুখি হয় ৯৯ বার। বাংলাদেশ জেতে ৫৭ ম্যাচে। ৭২টি ওয়ানডেতে বাংলাদেশ জেতে ৪৪টিতে, ১৬ টেস্টের মধ্যে জেতে ৬টি, তিনটিতে ড্র এবং ১১টি টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ জেতে ৪টি ম্যাচে।

হারের বৃত্ত ভাঙতে মরিয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে জয় ছাড়া বিকল্প ভাবছেন না টাইগাররা। একমাত্র টেস্টে টস জিতে ব্যাটিং নেয় জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশ একাদশ সাজিয়েছে দুই পেসার ও দুই স্পিনার নিয়ে।

শুরুতেই পেসার আবু জায়েদ রাহী ওপেনার কাসুজাকে ফিরিয়ে শুভসূচনা এনে দিয়েছিলেন। সেই ধাক্কা সামলে বাংলাদেশকে অস্বস্তিতে ফেলে দিচ্ছিলেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা। নাঈম হাসান টানা তিন উইকেট তুলে নিয়ে স্বস্তি এনে দেন বাংলাদেশ শিবিরে। আরভিনকে শেষ বিকেলে ফেরান নাঈম হাসান, ততক্ষণে তার ব্যাট থেকে আসে ১০৭ রান।

জিম্বাবুয়ের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন মাসভাউরে। প্রথম উইকেট হারানোর পর দ্বিতীয় উইকেটে মাসভাউরে-আরভিন ১১১ রানের জুটি গড়ে দলকে নিয়ে গেছেন চালকের আসনে। মাসভাউরে আউট হলে ভাঙে শতক রানের এই জুটি। ব্যক্তিগত ৬৪ রানে নাঈম হাসানের ঘূর্ণিতে পরাস্ত হয়ে তার হাতেই ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে ১৫২ বলে ৬৪ রান। মাসভাউরের নিখুঁত টেস্ট ইনিংসটি সাজানো ছিল ৯টি চারে।

এরপরেই মাঠে আসে ব্রেন্ডন টেইলর। অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যানকে বেশিদূর এগুতে দেননি নাঈম। তাকে বোল্ড করে সাজঘরে পাঠান এই স্পিনার। টেইলরের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১০ রান। টেইলর আউট হলে ক্রিজে এসে সাবলীলভাবে খেলতে থাকলেন সিকান্দার রাজা। তাকেও বেশি এগুতে দেননি নাঈম হাসান। ১৮ রানে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ বানিয়ে ফেরান সাজঘরে। ক্রিজে আসা নতুন ব্যাটসম্যান মারুমাকেও বেশিক্ষণ থাকতে দেননি আবু জায়েদ।

টাইগারদের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন নাঈম হাসান ও আবু জায়েদ রাহী। তিনি ৩৬ ওভার বোলিং করে মাত্র ৬৮ রান দিয়ে নেন চার উইকেট নেন। রাহী ২৪ ওভার বোলিং করে ৭১ রান দিয়ে নেন চার উইকেট। দুটি উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

7 − 7 =