Templates by BIGtheme NET
১৫ চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৯ মার্চ, ২০২০ ইং , ৩ শাবান, ১৪৪১ হিজরী
Home » আন্তর্জাতিক » কেন বিশ্বজুড়ে দিন দিন বাড়ছে সামরিক ব্যয়?

কেন বিশ্বজুড়ে দিন দিন বাড়ছে সামরিক ব্যয়?

প্রকাশের সময়: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ

ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ- আইআইএসএসের তথ্য মতে, ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বেড়েছে চার শতাংশ, এক দশকের মধ্যে অবশ্য এটিই সর্বোচ্চ।

ইউরোপেও সামরিক খাতে ব্যয় উর্ধ্বমূখী, যা ২০১৮ সালের তুলনায় চার দশমিক দুই ভাগ বেশি।

এটিকে অনেকেই মনে করেন বৈশ্বিক পরিবর্তনের একটি প্রতিচ্ছবি এবং রাষ্ট্র বনাম রাষ্ট্রের যে প্রতিযোগিতা তারই ফল।

২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সামরিক ব্যয় বেড়েছে ছয় দশমিক ছয় শতাংশ, যদিও বেশি বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্রেরই বরং চীনের বৃদ্ধির হার তুলনামূলক ধীর।

বেইজিংয়ের সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির জের ধরে কয়েক বছর ধরেই এশিয়ার ক্ষেত্রে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

এই এলাকার জাতীয় আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে গত এক দশকে সামরিক ব্যয়ও ৫০% বেড়েছে।

মিলিটারি ব্যালেন্সে দেখা যাচ্ছে, আইএনএফ চুক্তি শেষ হওয়ার পর চীনা অস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যদিও প্রকৃত চুক্তির অংশীদার চীন ছিলো না।

গতবছর শেষ হওয়া অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি নবায়ন হয় কিনা সে ইস্যুতে পর্যবেক্ষকরা হতাশাজনক দৃষ্টিতে মস্কো ও ওয়াশিংটনের দিকে তাকিয়ে আছে। তাদের প্রশ্ন, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের চুক্তি নবায়ন হবে তো?

এদিকে, রাশিয়ার আচরণ নিয়ে অস্বস্তিতে থাকার কারণে সামরিক ব্যয় বাড়ছে ন্যাটোভূক্ত দেশগুলোতে।

সেখানে সামরিক ক্রয়, গবেষণা ও উন্নয়ন খাতেই বেশি ব্যয় হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, ইউরোপে সামরিক ব্যয় বাড়ার মূল কারণ ইসলামিক স্টেট।

২০১৮ ও ১৯ সালে জার্মানে সামরিক ব্যয় বেড়েছে সাড়ে নয় শতাংশের বেশি।

মিলিটারি ব্যালেন্সের হিসেবে ন্যাটোর সাত সদস্য লক্ষ্য অর্জন করছে: বুলগেরিয়া, গ্রিস, এস্তোনিয়া, রোমানিয়া, লাটভিয়া, পোল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য।

প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রগুলো ঠিক যুদ্ধে না গিয়েও কৌশল সেরকমই নির্ধারণ করছে যা উদ্বেগ তৈরি করছে।

যেমন রাশিয়ার ক্রিমিয়া আগ্রাসন, যুক্তরাজ্যে রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ, নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগের মতো বিষয়গুলোও এসেছে মিলিটারি ব্যালেন্সের পর্যালোচনায়।

এতে উঠে এসেছে ইরানের তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে যুদ্ধ চালানোর সক্ষমতাও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

20 + 8 =