Templates by BIGtheme NET
১৫ চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৯ মার্চ, ২০২০ ইং , ৩ শাবান, ১৪৪১ হিজরী
Home » আন্তর্জাতিক » চীনে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে অ্যাপস-রোবট-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
A boy wears a mask watching a robot at the Pudong International Airport in Shanghai, China January 27, 2020. REUTERS/Aly Song - RC2AOE9IUH1D

চীনে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে অ্যাপস-রোবট-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

প্রকাশের সময়: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২০, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ

চীনে ভয়াবহ করোনাভাইরাসের দ্রুত বিস্তার নিয়ন্ত্রণে নানা প্রযুক্তির আশ্রয় নিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

মহামারি ভাইরাসটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৯০৮ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজারের অধিক।

ভাইরাসটির সংক্রমণ ঠেকাতে দেশটির নাগরিকদের ওপর কঠোর নজরদারি রাখছে কর্তৃপক্ষ। এর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ডেটা ট্র্যাকিং, রোবট, অ্যাপস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)।

গত কয়েক মাসে কারা উহান ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় গিয়েছিলেন, সেই সংক্রান্ত তথ্য ঘেঁটে তাকে চিহ্নিত করেছে অন্যান্য শহরের স্থানীয় প্রশাসন। এতে সহায়তা নেয়া হচ্ছে ডেটা ট্র্যাকিংয়ের।

নববর্ষের ছুটি কাটিয়ে কেউ বাড়ি ফেরা মাত্র তাৎক্ষণিক হাজির হয়ে যাচ্ছে পুলিশ। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে ছাড়া হচ্ছে তাকে।

কয়েকটি প্রযুক্তি সংস্থা মিলে এক বিশেষ মোবাইল অ্যাপ তৈরি করেছে। এতে ব্যবহারকারীরা জানতে পারবেন, তারা যে বিমানে বা ট্রেনে চড়তে যাচ্ছেন, তাতে কোনো ভাইরাস আক্রান্ত যাত্রী আছে কী না।

গুয়াংঝৌ শহরের একটি এলাকায় বসানো হয়েছে রোবট। হাঁটার সময় কারও মুখে মাস্ক না থাকলেই, হুঁশিয়ারি দিচ্ছে এসব রোবট।

বেইজিংয়ের অনেক এলাকায় হাউজিং কমিটিগুলো নিজেরাই ডেটা ট্র্যাকিং শুরু করেছে। অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে থাকা প্রত্যকের বাসিন্দার গতিবিধি নজরে রাখা হচ্ছে। দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনও বেসরকারি পর্যায়ের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

এদিকে করোনাভাইরাস সন্দেহে দেশটিতে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫১৮ জনকে মেডিকেল পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

নতুন এই ভাইরাসটির বিষয়ে চীনকে সহযোগিতা করতে একটি প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

চীনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত আক্রান্ত ৩ হাজার ২৮১ জন সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে গেছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতদের দুজন ছাড়া সবাই চীনের মূল ভূখণ্ডেই মারা যান। বাকি দুজন মারা যান হংকং এবং ফিলিপাইনে। শনিবার নাগাদ ২৫টি দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে।

করোনাভাইরাস শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সংক্রমণ। এই রোগের কোনো প্রতিষেধক এবং ভ্যাকসিন নেই। মৃতদের অধিকাংশই বয়স্ক যাদের আগে থেকেই শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত জটিলতা ছিল।

গত এক মাসে ভয়াবহ রূপ নেয়া এই রোগের লক্ষণ হলো- শুকনো কাশির পর জ্বর আসে। সপ্তাহখানেক পর শ্বাস-প্রশ্বাস কমে যায়। এরপর আক্রান্তদের মধ্যে কিছু লোককে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন দেখা দেয়। প্রতি চারজনের একজনের অবস্থা খুবই খারাপ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

nineteen − 9 =