Templates by BIGtheme NET
৮ মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২১ জানুয়ারি, ২০২০ ইং , ২৪ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » বিবিধ » যে প্রক্রিয়ায় কাঁকড়া চাষ করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা

যে প্রক্রিয়ায় কাঁকড়া চাষ করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা

প্রকাশের সময়: ডিসেম্বর ২৩, ২০১৯, ৬:০৫ অপরাহ্ণ

আধুনিক চাষ পদ্ধতির ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে কাঁকড়া চাষের কারণে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন। কাঁকড়া চাষের জন্য দো-আঁশ বা পলি মাটির ০.১-১.০ হেক্টর আয়তনের পুকুর হলে ভালো হয়। কাঁকড়ার পলায়নপর স্বভাবের জন্য প্রায় ১ দশমিক ৫ মিটার উচ্চতার বাঁশের বানা (পাটা) দিয়ে পুকুরের চারপাশ ঘিরে ফেলা হয়। বানা প্রায় আধা মিটার মাটির নিচে পুঁতে দিতে হয়, যাতে কাঁকড়া পুকুরের পাড় গর্ত করে পালিয়ে যেতে না পারে।

পুকুরে কাঁকড়ার খাবার হিসেবে প্রচুর পরিমাণে প্রাণিজ মাংসল খাদ্য সরবরাহ করতে হয়, যা দ্রুত পচনশীল।  প্রয়োজনবোধে অমাবশ্যা বা পূর্ণিমার ভরা জোয়ারের সময় চার থেকে সাত দিন কাঁকড়ার পানি পরিবর্তন করতে হবে। কাঁকড়া মজুদের ১০ দিন পর থেকে দুই-তিন দিন পর পর কাঁকড়ার গোনাড পরিপুষ্ট হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করতে হয়।  কাঁকড়াকে আলোর বিপরীতে ধরে দেখতে হবে যে, কাঁকড়ার ভেতর দিয়ে আলো অতিক্রম করে কিনা। যদি কাঁকড়ার ভেতর দিয়ে আলো অতিক্রম করতে না পারে তাহলে বুঝতে হবে গোনাড পরিপুষ্ট হয়েছে।

চাষ করা পুকুরের তলায় জমে থাকা বিষাক্ত ক্ষতিকর গ্যাস শুষে নেওয়ার জন্য উপযুক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করতে হবে৷ তীব্র গরম, রোগ-বালাই, ঘেরে পানির স্বল্পতা, পানিতে অক্সিজেন কম থাকাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চাষিরা চিংড়ি চাষ বাদ দিয়ে কাঁকড়া চাষে মনযোগী হচ্ছেন।

বিশ্ববাজারে সুন্দরবন অঞ্চলের কাঁকড়ার চাহিদা বেশি। চলতি অর্থবছরের পাঁচ মাসে এ অঞ্চল থেকে কাঁকড়া রফতানি বেড়েছে ৮৫ শতাংশ। খুলনা অঞ্চল থেকে গত অর্থবছরে কাঁকড়া রফতানি হয়েছিল ১৪ লাখ ৪০ হাজার ৯৫৫ দশমিক ৪৩ ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসেই সেই পরিমাণকে ছাড়িয়ে রফতানি হয় ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৭১২ দশমিক ৩ ডলারের কাঁকড়া।

চীন, তাইওয়ান, বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের কাঁকড়া রফতানি হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

8 + 7 =