Templates by BIGtheme NET
২৯ শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১৩ আগস্ট, ২০২০ ইং , ২২ জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
Home » বিনোদন » নেগেটিভ চরিত্রেই বেশি মজা পাই: অলিভিয়া

নেগেটিভ চরিত্রেই বেশি মজা পাই: অলিভিয়া

প্রকাশের সময়: ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ

টেলিভিশন পর্দার বেশ জনপ্রিয় মুখ অলিভিয়া সরকার। বেশ সুদর্শনা ও লাস্যময়ী এই অভিনেত্রী, চরিত্রাভিনেত্রী হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। কলকাতার মেগা সিরিয়াল ‘মিলনতিথি’র দোয়েল, ‘সীমারেখা’র টিয়া চরিত্রগুলোতে অভিনয় করে বেশ আলোচনায় এসেছেন। সুদর্শনা এই অভিনেত্রীকে নেগেটিভ চরিত্রেই বেশি দেখা যায়। এটাই তিনি উপভোগ করেন।

ছোট পর্দা ছাপিয়ে কাজ করেছেন বড় পর্দাতেও। কি করে তোকে বলবো, হৈচৈ আনলিমিটেড, স্যুটকেস, আলোর সাথী সিনেমাতে কাজ করেছেন অলিভিয়া। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার নতুন ছবি আর্চি। বর্তমান ব্যস্ততা ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কলকাতা থেকে মুঠোফোনে কথা বলেন এই অভিনেত্রী।

২০১৪ সালের আগে থেকেই শোবিজের সঙ্গে যুক্ত অলিভিয়া। টুকটাক কাজ করতেন। ‘১৪ এর পর থেকে কাজে নিয়মিত হন। ব্যস্ত হয়ে পড়েন মেগা সিরিয়াল নিয়ে। সিরিয়ালের মাধ্যমেই পরিচিত পান এই অভিনেত্রী।

অলিভিয়া, ছোট পর্দার বেশ পরিচিত মুখ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নেগেটিভ চরিত্রে দেখা যায়। এটা কেন? এমন প্রশ্নে তিনি জানান, আমি খুব ভালো ঝগড়া করতে পারি। এখনও পর্যন্ত কাজ করা আমার বেশিরভাগ চরিত্রই নেগেটিভ। আমার ভালই লাগে এমন চরিত্রে অভিনয় করতে। ভাল মেয়ে তো সবাই হয়, বাজে মেয়ে বা নেগেটিভ চরিত্র করতেই আমি বেশি মজা পাই।

সিরিয়ালের বাইরে তাকে দেখা গিয়েছে চলচ্চিত্রেও, কিন্তু পার্শ্ব চরিত্রে। চলচ্চিত্রে নায়িকার ভুমিকায় এখনও হাজির হতে দেখা যায় নি তাকে। তার ভাষ্য, হয়তো আমি ডিজার্ভ করি না। যেদিন মনে হবে আমি পারবো সেদিন অবশ্যই নায়িকা হয়ে হাজির হবো। তবে আমি এতে অসন্তুষ্ট নই, আমি যে চরিত্রগুলো করছি, সেগুলো বেশ এনজয় করছি। এখনও শিখছি, চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

এরইমধ্যে শেষ করেছেন নতুন একটি ওয়েব সিরিজের কাজ। ওয়েবসিরিজটির নাম ‘মন্টু পাইলট’। এখানে অলিভিয়াকে দেখা যাবে যৌনকর্মীর ভূমিকায়। এমন একটি সাহসী চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন করাটা বেশ সহজ ছিল না অলিভিয়ার জন্য।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমার ক্যারিয়ারে যতগুলো চরিত্র করেছি, সবকটাই আমার কাছে চ্যালেঞ্জ। কিন্তু ‘মন্টু পাইলট’-এর সরমা আমার কাছে সব সময় স্পেশাল হয়ে থাকবে। এতদিন আমি এইটা শুনে এসেছি আমি খুব আরবান, ক্লাসি, বড়লোকের মেয়ের একটা ছাপ আছে। প্রথমদিন যখন কথা বলতে গিয়েছিলাম প্রজেক্টটা নিয়ে, পুরো গল্পটা শোনার পরে আমার মাথায় কোনও সেকেন্ড থট আসেনি। পরিচালক দেবালয় দা কনফিডেন্সটা দিয়েছিল বলেই নিজের ওপর এত বড় একটা এক্সপেরিমেন্ট করতে পেরেছি। খুব নার্ভাস আর টেনসড ছিলাম প্রথম দিন থেকে, এখনও আছি। মায়ের সঙ্গে এটা নিয়ে অনেক আলোচনা করেছি। শুধু জিজ্ঞেস করতাম, ‘আমাকে খারাপ ভাববে না তো।’ মা শুধু বলেছিল, ‘অনেক বড় বড় অভিনেত্রীরাও তো এমন চরিত্র করেছে, এরকম চরিত্রে অভিনয় করা সবচেয়ে কঠিন। প্র্যাকটিস কর, হোমওয়ার্ক কর ভাল করে, তুমি পারবে।’ এত সাপোর্ট থাকলে চ্যালেঞ্জ নিতে মজাই লাগে।

প্রথমবার ওয়েব সিরিজে কাজ করলেন তিনি। তার কাছে টিভি পর্দা আর অনলাইন প্লাটফর্ম দুইটা দুইরকম, দুটোরই আলাদা সত্ত্বা আছে। অভিনয় করে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তাই অভিনয় করে যান। অন্যকিছু ভাবেন না।

অভিনয় করতে ভালো লাগে তাই অভিনয় করে যান অলিভিয়া। নিজেকে নিয়ে আলাদা কোন পরিকল্পনা নেই। শুধু চান নিজেকে আরও ভালো করে চিনতে আর ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে। বাংলাদেশের সিনেমা না দেখা হলেও বাংলাদেশের গানের ভীষণ ভক্ত তিনি। নিয়মিতই গান শোনেন এদেশের। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার নতুন ছবি ‘আর্চি’। জয়দীপ মুখার্জি পরিচালিত এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন সৌরভ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

eight − two =