Templates by BIGtheme NET
২৫ শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৯ আগস্ট, ২০২০ ইং , ১৮ জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
Home » জাতীয় » হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী: গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াকু যোদ্ধা

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী: গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াকু যোদ্ধা

প্রকাশের সময়: ডিসেম্বর ৫, ২০১৯, ১২:০৪ অপরাহ্ণ

মোহাম্মাদ এনামুল হক এনা: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি স্যার জাহিদ সোহরাওয়ার্দী ও নামকরা উর্দু সাহিত্যিক খুজাস্তা আখতার বানুর কনিষ্ঠ সন্তান ছিলেন সোহরাওয়ার্দী।

সোহরাওয়ার্দী কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা, সেন্ট জাভিয়ার্স কলেজ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহণ করেন।

বিংশ শতাব্দীতে চিত্তরঞ্জন দাসের স্বরাজ পার্টিতে যোগদানের মাধ্যমে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন।

১৯২৪ সালে তিনি কলকাতা পৌরসভার ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত হন।

১৯৪৯ সালে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি হন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলীম লীগকে পরাজিত করা যুক্তফ্রন্ট গঠনে অন্যতম বড় ভূমিকা ছিল সোহরাওয়ার্দীর।

১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান প্রণয়নে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন গণতন্ত্রের এ মানসপুত্র।

তিনি ১৯৫৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৫৭ সালের অক্টোবর পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

পূর্ব বাংলার উন্নয়ন, সংখ্যা-সাম্যের ভিত্তিতে প্রণয়ন, উর্দুর সঙ্গে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভূমিকা রাখেন সোহরাওয়ার্দী।

শারীরিক সমস্যার কারণে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে অবস্থানকালে ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

স্বাধীনতা প্রাপ্তির ৮ বছর আগে মৃত্যু হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে গণতন্ত্রের মানসপুত্র সোহরাওয়ার্দী আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বাঙালির মননে ও ভালোবাসায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 × 5 =