Templates by BIGtheme NET
২২ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ৮ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী
Home » রাজনীতি » মেনন-এর দল ভেঙে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ

মেনন-এর দল ভেঙে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ

প্রকাশের সময়: ডিসেম্বর ১, ২০১৯, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ

দুদিনব্যাপী কেন্দ্রীয় সম্মেলন শেষে রাশেদ খান মেননের দল ভেঙে যশোর থেকে ঘোষিত হয়েছে নতুন আরেকটি দল। এই দলের নাম বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী)। ১১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হয়েছেন খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী কামরুল হাসানের ভাই নুরুল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর জাহিদ।

৩০ নভেম্বর সন্ধ্যায় কাউন্সিল শেষে পার্টির নাম ও কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কমিটির গঠনের পর উপদেষ্টা করা হয়েছে ওয়ার্কার্স পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কমরেড বিমল বিশ্বাসকে। এছাড়াও বিকল্প সদস্য ১১ এবং কেন্দ্রীয় সংগঠক করা হয়েছে ৬ জনকে।

স্থানীয় টাউন হল ময়দানের অস্থায়ী অমল সেন মঞ্চে পার্টির ‘মতাদর্শ রক্ষা সমন্বয় কমিটি’র সম্মেলন উদ্বোধন করেন ব্রিটিশ-ভারতের সর্বভারতীয় কৃষাণ সভার স্বেচ্ছাসেবক নারায়ণ চন্দ্র বসু।

সম্মেলনে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, ঐক্য ন্যাপসহ বিভিন্ন বামদলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

নতুন পার্টির সভাপতি নুরুল হাসান বলেন, ‘বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টকে সঙ্গে নিয়ে আমরা কমিউনিস্ট ঐক্য গড়ে তুলতে চাই। আর সেই কারণেই এই সম্মেলন। এটি অমল সেনের ওয়ার্কার্স পার্টি, মেনন-বাদশার না। তারা মার্কসবাদকে পরিত্যাগ করেছে; আমরা মার্কসবাদকে গ্রহণ করেছি।’

নয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, ‘ওয়ার্কার্স পার্টির ১০ম কংগ্রেসে নীতিহীন, পঙ্কিলতা, রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আমাদের বিপ্লবীরা এসেছেন। তারা সাহসের সঙ্গে নীতিহীনদের পরিত্যাগ করেছেন। দেশের কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করেছেন। ফলে এই সম্মেলন সফল হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘১৯৯২ সালে ঐক্য কংগ্রেসের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি নাম গ্রহণ করি। পার্টির সেই মূল আদর্শের ওপরে আমরা দাঁড়িয়েছি। ফলে যেসব কর্মী এখনও বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন, তারাও শিগগির মূলধরায় ফিরে আসবেন।’

প্রসঙ্গত, গত ২২ অক্টোবর পার্টির মূল নেতৃত্বের বিচ্যুতির কারণ দেখিয়ে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পদ থেকে পদত্যাগ করেন ওয়ার্কার্স পাটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড বিমল বিশ্বাস।

এই ঘটনার চারদিন পর ২৬ অক্টোবর পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে সংখ্যা গরিষ্ঠের মতের ভিত্তিতে তাকেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এরপর ২৮ অক্টোবর ১০ম কংগ্রেস বর্জনের ঘোষণা দেন কেন্দ্রীয় ছয় নেতা। তারা হলেন পলিটব্যুরো সদস্য নুরুল হাসান ও ইকবাল কবির জাহিদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জাকির হোসেন হবি, মোফাজ্জেল হোসেন মঞ্জু, অনিল বিশ্বাস ও তুষার কান্তি দাস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

4 + 16 =