Templates by BIGtheme NET
২৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ১২ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী
Home » বিনোদন » কঠিন সময় পার করে সংঙ্গীতে ফিরলেন শাকিরা

কঠিন সময় পার করে সংঙ্গীতে ফিরলেন শাকিরা

প্রকাশের সময়: নভেম্বর ১৫, ২০১৯, ২:৫২ অপরাহ্ণ

বিনোদন ডেস্ক :

সুরের জাদুতে আচ্ছন্ন করে রাখতেন ভক্তদের। কিন্তু তিনি কী কখনও ভেবেছিলেন তার কণ্ঠভরা সুরের জাদু একদিন থেমে যাবে। না এমনটি ভাবেননি; আর কণ্ঠজনিত সমস্যায় পড়ে তা কাটিয়ে উঠেছেন তিনি।

বলছিলাম কণ্ঠশিল্পী শাকিরার কথা। ‘হিপসডোন্ট লাই’, ‘ওয়াকা ওয়াকা’, ‘লোক’গানে যার সঙ্গে নেচেছে পুরোবিশ্ব।

বিশ্বব্যাপী তার অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে ৭ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি। কলম্বিয়ার মাতৃভাষা স্প্যানিশ হলেও অনর্গল ইংরেজি, পর্তুগিজ ও ইতালীয় ভাষায় কথা বলতে পারেন শাকিরা।

২০১৭ সালে সেই শাকিরা দেখলেন জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়। ওই বছরের নভেম্বরে অতিরিক্ত সংগীতচর্চার কারণে তার গলায় রক্তক্ষরণ হয়ে কণ্ঠের জটিল সমস্যা ধরা পড়ে।

চিকিৎসকরা শাকিরাকে কথা বলা বন্ধ করার পরামর্শ দেন। তারা জানান, কণ্ঠের ওপর কোনো চাপ দেয়া যাবে না। তবে সেসব বিপদের দিন পার করে আবারও ফিরেছেন তিনি।

সেসব খারাপ দিন পার করে ‘এল ডোরাডো ওয়ার্ল্ড ট্যুর’ শেষ করেছেন শাকিরা। ২২ দেশের সেই ওয়ার্ল্ড ট্যুরের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র মুক্তি পেয়েছে গত বুধবার।

দ্য গার্ডিয়ানকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে উঠে আসে সেসব দিনের কথা।

শাকিরা বলেন, আমার তারুণ্য, সৌন্দর্য সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যাবে। তবে কণ্ঠ হারিয়ে যাবে, সেটি কল্পনাও করিনি।

শাকিরা আরও জানান, কণ্ঠ তার অস্তিত্ব। কণ্ঠ ছাড়া তার বেঁচে থাকা আর না থাকার কোনো মানে নেই। তখন শাকিরা অন্যদের সঙ্গে ইশারায় যোগাযোগের চেষ্টা করতেন। কিন্তু তার কথা কেউ বুঝত না। তাই লিখে যোগাযোগ করতেন। তখন তার বড় ছেলের বয়স চার, আর ছোট ছেলের দুই বছর।

এ সময় তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। বিছানা থেকেই উঠতে চাইতেন না। সারা দিন বিছানায় পড়ে থাকতেন।

একসময় চিকিৎসক জানান, অপারেশন করা দরকার। কিন্তু সেখানে ঝুঁকি ছিল। শাকিরা ভেবেছিলেন হয়তো অলৌকিক কিছু ঘটবে। অবশেষে দীর্ঘ চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। সুস্থ হয়ে দুই ছেলেকে নিয়ে ‘এল ডোরাডো ওয়ার্ল্ড ট্যুর’ করেছেন।

শাকিরা জানান, নিজের আর পরিবারের সুস্থতা তার সবচেয়ে বড় চাওয়া। তার জীবনসঙ্গী জেরাড পিকে আর তার দুই সন্তান যেন সবসময় সুস্থ থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

8 − three =