Templates by BIGtheme NET
৩০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ১৬ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী
Home » বিজ্ঞান- প্রযুক্তি » নজরদারির হাত থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করবেন যেভাবে!

নজরদারির হাত থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করবেন যেভাবে!

প্রকাশের সময়: নভেম্বর ১৪, ২০১৯, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ

ম্যালওয়্যারের কিছু প্রোগ্রাম কম্পিউটারের কাজকর্ম নজরদারি করে। সেগুলো কতটা বিপজ্জনক তা হয়তো অনেকেই ভাবেন না। এগুলো ডিলেট না করলে কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অজান্তে তার সব তথ্য রেকর্ড হয়ে যায়। যা ব্যক্তির নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে।

এই সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্পাইওয়্যার অন্যতম। যা কম্পিউটার ব্যবহারকারীর ওয়েবক্যাম ফিড থেকে সব কিছু ‘ছিনতাই’ করতে পারে। এমনকি কিবোর্ড ব্যবহার করে কাকে কী লিখছেন, সেগুলোও রেকর্ড করার ক্ষমতা রাখে। প্রযুক্তি দুনিয়ার এই ‘ভিলেনের’ উদ্দেশ্য মানুষের ডিজিটাল জীবন সবার সামনে তুলে ধরা, ব্যাংক হিসাব হাতিয়ে নেওয়া অথবা ব্যবহারকারীকে ব্ল্যাকমেইল করা। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে পপুলার সায়েন্স ওয়েবসাইটে কতগুলো পরামর্শ দিয়েছেন। যেগুলো হচ্ছে :

সিস্টেম নিরাপত্তা: নিশ্চিন্ত থেকে কম্পিউটার ব্যবহার করতে হলে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হবে। অধিকাংশ অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম উইন্ডোজ এবং ম্যাক দুটির জন্যই কিলগার, ওয়েবক্যাম হ্যাকার এবং অন্য স্পাইওয়্যার প্রতিরোধ করতে পারে। ভালো সেবা পেতে সফটওয়্যারগুলো আপডেট রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে পেইড ভার্সন ব্যবহার করলে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

পেইড ছাড়া চারটি প্রোগ্রাম আছে, যেগুলো গত কয়েক বছরে বিনা মূল্যে ব্যবহারকারীদের ভালো সেবা দিয়েছে। কখনো কখনো এগুলো কমদামি অ্যান্টিভাইরাসের থেকেও ভালো কাজ করেছে। এগুলো হল: Windows Defender (উইন্ডোজ টেনসহ) AVG Free, (উইন্ডোজ, ম্যাক দুটিতেই ফ্রি), এটির ফুলভার্সন পেতে হলে আবার প্রতি বছর ৯০ ডলার খরচ করতে হবে, Bitdefender এবং Avast।

এছাড়া উইন্ডোজের জন্য বিনা মূল্যে Spybot Search এবং Destroy আছে। নিয়মিত অ্যান্টিভাইরাস প্যাকেজের সঙ্গে এগুলো শক্তিশালী নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

ক্লিন ইনস্টল: ভাইরাস, স্পাইওয়্যার, ম্যালওয়্যার থেকে পরিত্রাণ পেতে কম্পিউটার ক্লিন ইনস্টল করা যেতে পারে। যখন ক্লিন ইনস্টল করা থাকবে তখন ব্যক্তির কাজ শেষে হার্ড ড্রাইভের সবকিছু মুছে ফেলা হয়। তাই আর কোনো ভাইরাসের অস্তিত্ব থাকে না।

বিপদ সংকেত বোঝা: স্পাইওয়্যার থেকে রক্ষা পেতে হলে ব্যবহারকারীকে সতর্ক সংকেত বুঝতে হবে। কম্পিউটারে কী ইনস্টল হয়েছে বা কোথা থেকে হয়েছে সেটি নিয়মিত পর্যব্যক্ষণ করতে হবে। সন্দেহজনক ফাইল দেখলেই কী লেখা আছে বিস্তারিত পড়া। গুগলে সেই বিষয়ে সার্চ দিয়ে জানা।

পুরোনো কম্পিউটার এমনিতে একটু ধীরে কাজ করে, সেটি আরও ধীর হয়ে গেলে বুঝতে হবে বিপদ আসন্ন। এটি একটি সংকেত। এছাড়া কম্পিউটারে অনেক প্রোগ্রাম চালু না হওয়া, সফটওয়্যার থেমে যাওয়া, গতি কমে যাওয়া, বারবার এমন হলে বুঝতে হবে স্পাইওয়্যার ঢুকেছে। এরপর চেক করে দ্রুতই তা ডিলিট করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

19 − seventeen =