Templates by BIGtheme NET
৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২১ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » খেলাধূলা » দ্রুত ফিরলেন মুশফিক-সৌম্য (দেখুন সরাসরি)

দ্রুত ফিরলেন মুশফিক-সৌম্য (দেখুন সরাসরি)

প্রকাশের সময়: নভেম্বর ৭, ২০১৯, ৭:১০ অপরাহ্ণ

স্পোর্টস ডেস্ক :

সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ১৫ ওভারে  ১১২/৪

ফিরলেন সৌম্যও

মুশফিককে হারানোর ধাক্কা সামাল দেওয়ার আগেই আরেকটি বড় ধাক্কা। এবার ফিরলেন সৌম্য সরকার। এক ওভারেই বড় দুটি শিকার ধরলেন যুজবেন্দ্র চেহেল।

সৌম্যকে বেরিয়ে আসতে দেখেই হয়ত স্টাম্পের বাইরে গুগলি করেছিলেন চেহেল। বল পিচ করে আরও বেরিয়ে যায় বাঁহাতির সৌম্যর ব্যাটের বেশ দূর দিয়ে। কিপার পান্ত বল ধরে উড়িয়ে দেন বেলস।

এবারও তৃতীয় আম্পায়ার টিভি রিপ্লে দেখে নেন, পান্ত স্টাম্পের আগে থেকেই বল ধরেছেন কিনা। তবে এবার ভুল করেননি ভারতীয় কিপার। তৃতীয় আম্পায়ার অবশ্য ভুল করে শুরুতে ‘নট আউট’ ঘোষনা দিয়েছিলেন। পরে আবার জানিয়ে দেন ‘আউট।’

দারুণ খেলতে থাকা সৌম্য বিদায় নিলেন ২০ বলে ৩০ রান করে। বাংলাদেশ ১৩ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৩।

মুশফিকের বিদায়

সুইপ ও স্লগ সুইপে ক্যারিয়ারে অনেক রান করেছেন মুশফিক। এই শটে আউটও হয়েছেন অনেকবার। আরও একবার প্রিয় শট তাকে ড্রেসিং রুমে ফিরিয়ে নিল দ্রুত।

মুশফিকের স্লগ সুইপের জন্যই লেগ সাইডে তিন জন ফিল্ডার রেখেছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক। যুজবেন্দ্র চেহেল বোলিং করলেন ফিল্ডিং অনুযায়ীই। মুশফিক তো এই শট খেলবেনই। টাইমিং হলো না ঠিকমতো। বল গেল সোজা ফিল্ডার ক্রুনাল পান্ডিয়ার হাতে।

বাংলাদেশের আগের ম্যাচের নায়ক ফিরে গেলেন ৬ বলে ৪ রানে। বাংলাদেশ ১২.১ ওভারে ৩ উইকেটে ৯৭।

সুন্দর ফেরালেন নাঈমকে

পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পর থেকে ঠিক হাত খুলে খেলতে পারছিলেন না মোহাম্মদ নাঈম শেখ। একটু অধৈর্য্য হয়ে উঠছিলেন। খেসারত দিলেন সেটিরই।

ওয়াশিংটন সুন্দরের স্পেলের শেষ ওভারে স্লগ সুইপ খেললেন নাঈম। কিন্তু শটে ছিল না যথেষ্ট জোর। মিড উইকেট সীমানার বেশ ভেতরেই সহজ ক্যাচ নিলেন শ্রেয়াস আইয়ার।

৩১ বলে ৩৬ রান করে বিদায় নিলেন নাঈম। ১০.৩ ওভারে বাংলাদেশ ২ উইকেটে ৮৩।

মাঝপথে বাংলাদেশ

পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পর রানের গতি কমেছে কিছুটা। তারপরও অবশ্য বাংলাদেশ এগোচ্ছে বলপ্রতি রান নিয়ে। ৬ ওভারে রান ছিল ৫৪, পরের ৪ ওভারে এসেছে ২৪।

১০ ওভার শেষে বাংলাদেশ ১ উইকেটে ৭৮।

মাঝপথে বাংলাদেশ

পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পর রানের গতি কমেছে কিছুটা। তারপরও অবশ্য বাংলাদেশ এগোচ্ছে বলপ্রতি রান নিয়ে। ৬ ওভারে রান ছিল ৫৪, পরের ৪ ওভারে এসেছে ২৪।

১০ ওভার শেষে বাংলাদেশ ১ উইকেটে ৭৮।

রান আউট লিটন

অষ্টম ওভারে সেই পান্তের থ্রোতেই রান আউট হয়ে ফিরে গেছেন লিটন। বিদায় নেন ২৯ রানে।  খলিলের দ্বিতীয় ওভারটা ছিল খুবই ব্যয়বহুল। দিয়েছেন ১৪ রান! দ্বিতীয় ওভারেও দিয়েছেন দুই বাউন্ডারি। নাঈম এক প্রান্তে তুলনামূলক বেশি আগ্রাসী ভঙ্গিতেই ব্যাট করছেন। ৩০ রানে ক্রিজে আছেন।

বেঁচে গেলেন লিটন

লেগ স্পিন আক্রমণে আসতেই উইকেটের উপলক্ষ্য তৈরি করেছিল ভারত। কিন্তু রিশাভ পান্তের কিপিং ব্যর্থতায় অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে গেলেন লিটন দাস।

যুজবেন্দ্র চেহেলের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে অনেকটা বেরিয়ে এসে তেড়েফুঁড়ে খেলতে গিয়েছিলেন লিটন। ব্যাট নাগাল পায়নি বলের। স্টাম্পিংয়ের অনায়াস সুযোগ। বল ধরে চকিতে বেলস ফেলেও দেন কিপার পান্ত। লিটন হাঁটা দিয়েছিলেন ড্রেসিং রুমের দিকে। কিন্তু টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, বল ধরার সময় পান্তের গ্লাভসের সামান্য অংশ ছিল স্টাম্পের সামনে!

১৭ রানে জীবন পেলেন লিটন।

আত্মবিশ্বাসী শুরু

দিপক চাহারের করা ম্যাচের প্রথম ওভারের শেষ বলে বাউন্ডারি মারেন লিটন দাস। পরের ওভারে খলিল আহমেদের প্রথম তিন বলেই বাউন্ডারি আসে মোহাম্মদ নাঈম শেখের ব্যাট থেকে।

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দারুণ জয়ের পর সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে নামছে বাংলাদেশ। ভারতের লক্ষ্য ম্যাচ জিতে সিরিজ জিইয়ে রাখা।

ব্যাটিং উইকেট

রাজকোটের উইকেটকে বলা হয় ভারতীয় ক্রিকেটে সবচেয়ে ভালো ব্যাটিং উইকেটগুলোর অন্যতম। এই মাঠে আগে দুটি টি-টোয়েন্টি হয়েছে। একটিতে অস্ট্রেলিয়ার ২০১ রান তাড়া করে জিতেছিল ভারত। আরেকটিতে আগে ব্যাট করে ভারত করেছিল ১৯৬ রান।

পিচ রিপোর্টে সুনীল গাভাস্কার বললেন, এই ম্যাচেও যথারীতি উইকেট ব্যাটিং স্বর্গ। তার মতে, আগে ব্যাট করা দলের অন্তত ১৭০-১৮০ রান করা উচিত। তবে বৃষ্টির কারণে আউটফিল্ড কিছুটা ভারি থাকতে পারে বলে ধারণা তার।

বাংলাদেশের হাতছানি

শক্তি-সামর্থ্য ও আত্মবিশ্বাসে অনেকটা পিছিয়ে থেকে সিরিজ শুরু করলেও বাংলাদেশ চমকে দিয়েছে প্রথম ম্যাচে। ভারতকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এগিয়ে গেছে সিরিজে। দ্বিতীয় ম্যাচে তাদের সামনে হাতছানি সিরিজ জয়ের।

জিততে পারলে বাংলাদেশ গড়বে নতুন ইতিহাস। প্রথমবার ভারতে সিরিজ খেলতে এসেই জয়! ভারতে এর আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিততে পারেনি উপমহাদেশের কোনো দল।

ভারতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েছে কেবল ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও গত ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়া।

কেটেছে শঙ্কার মেঘ

সাইক্লোন মাহার প্রভাবে বুধবার সন্ধ্যায় প্রবল বৃষ্টি হয়েছিল রাজকোটে। পূর্বাভাসে বৃষ্টির শঙ্কা ছিল পরের দিনও। ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ নিয়ে তাই ছিল শঙ্কা। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শহরে আকাশ ছিল ঝকঝকে। পরে দিনজুড়ে রোদ-মেঘের খেলা চললেও আর বৃষ্টি হয়নি। ফুরফুরে বাতাসে উড়ে গেছে ম্যাচ নিয়ে সংশয়ও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

three + one =