Templates by BIGtheme NET
৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২১ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » জাতীয় » জাবির আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেয়া চেষ্টা
আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ ও উস্কানীমূলক লিফলেটসহ শিবির নেতা আটক

জাবির আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নেয়া চেষ্টা
আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ ও উস্কানীমূলক লিফলেটসহ শিবির নেতা আটক

প্রকাশের সময়: নভেম্বর ৬, ২০১৯, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে আন্দোলন চলছে তাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে বাম সংগঠনগুলো। কিন্তু ক্যম্পাসে নিষিদ্ধ ছাত্রশিবির এই আন্দোলনকে আরো উস্কানী দিয়ে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি সাদ শরিফ নামের শিবিরের এক নেতাকে গ্রেফতারের পর এটি আরো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সাদের সঙ্গে জব্দ করা নথিপত্রে আন্দোলনের অর্থায়ন ও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দারা।

জানা গেছে, আন্দোলনে আর্থিক লেনদেনসহ বিভিন্ন রকম তথ্য বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে তারা। এই শিবির নেতার ফাঁস হওয়া ফোনালাপে জানা গেছে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়েই তারা বিভিন্ন শিরোনামে লিফলেট বিতরণ করছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা ‘ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী মঞ্চ’ নামে প্রচারণা চালাচ্ছে।

জানা গেছে, আন্দোলনে ইসলামী সেন্টিমেন্ট যুক্ত করে একটি লিফলেট তৈরি করেছে তারা। এটি কিছুটা সম্পাদনা করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এরকমই একটি ফোনালাপে সাদ শরিফ কাউকে উদ্দেশ্য করে বলছেন ‘ইসলামী সেন্টিমেন্ট যুক্ত করে আমাদের এখানেও অন্য একটি নাম দেন’।

জানা গেছে, সাদ শরিফ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতো সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ও জাবির গনিত বিভাগের ৪৩ ব্যাচের আশিকুর রহমান। যোগাযোগের কোড নেম, ‘স্বপ্নীল’।

আশিকুর রহমানের ফোন ট্যাপ করে শোনা গেছে, তিনি গত দশ বছরে ছাত্রলীগের নির্যাতনের তথ্য কেন্দ্রকে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিচ্ছেন। শিবিরের তথ্য ও মিডিয়া বিভাগের সমন্বয়ে এটি আদায় করার নির্দেশ দেন তিনি।

উল্লেখ্য, শিবিরের কেন্দ্রের সঙ্গে জাবি শাখার সমন্বয় করতেন সাদ শরিফ। তাকে সহযোগীতা করতেন জাবির সাংবাদিক সমিতির দুই নেতা। তার ফোনালাপ থেকে শোনা গেছে, কেন্দ্র থেকে কেউ একজন বলছেন, ‘মাহমুদের তো এখন এতো ফোকাস হওয়ার দরকার নাই, এখন থেমে গেলেই হয়’। এখন আমাদের কিছু না করলেও আন্দোলন চলবে।

এদিকে ছাত্র ফ্রন্টের এক নেতার সঙ্গেও সাদ শরিফের আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। জানা গেছে, ছাত্র অধিকার সংরক্ষন পরিষদের দুই নেতাকে নিয়মিত পরামর্শ দিতেন সাদ শরিফ।
ফোনালাপে শোনা গেছে, প্লাবন নামের একজনকে তিনি বলছেন ‘লিফলেট টা শিশিরকে দিয়ে করাইতে বলছি……. প্রিন্টের ব্যবস্থা কিভাবে করা যায় এটা দেখেন আপনি।

সাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ভিসি বিরোধী আন্দোলনে পরিবেশ বিভাগের একজন অধ্যাপক ও ভূগোল বিভাগের একজন অধ্যাপকের সঙ্গেও নিবির যোগাযোগ রক্ষা করতেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

fourteen − 3 =