Templates by BIGtheme NET
৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২১ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » বিবিধ » অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী এক প্রতিবন্ধী’র বাবা-মায়ের লড়াই

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী এক প্রতিবন্ধী’র বাবা-মায়ের লড়াই

প্রকাশের সময়: নভেম্বর ৫, ২০১৯, ২:৩১ অপরাহ্ণ

২০১১ সালে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যান ড. মেহেদি হাসান ভূঁইয়া। পরের বছরেই বাংলাদেশে এসে বিয়ে করে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান। ২০১৩ সালে স্ত্রী রেবেকা সুলতানাকেও তিনি দেশটিতে নিয়ে যান। সেখানে গিলং হাসপাতালে তাদের সন্তান আদিয়ানের জন্ম হয়।

আদিয়ানের জন্মের কয়েক মাস পরেই তার পরিবার লক্ষ্য করে, সে সহজে মাথা তুলতে পারছে না। সম্ভবত জন্মের কিছু সময় আগে বা পরে স্ট্রোকের কারণে সে হালকা ‘সেরিব্রাল প্যালসিতে’ আক্রান্ত হয়।

আদিয়ানের বয়স যখন পাঁচ বছর তখন তার বাবা-মা অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য দেশটির অভিবাসন বিভাগে আবেদন করেন। কিন্তু তাদের ছোট্ট সন্তানের হাতের ওই সমস্যার কারণে তাদের রেসিডেন্সি আবেদন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভূঁইয়া পরিবার আপিল করে। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আপিল ট্রাইব্যুনাল।

অস্ট্রেলিয়ার ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে’ এমন আশঙ্কা থেকে তাদের স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দিতে নারাজ দেশটির কর্তৃপক্ষ।

তবে আপিল ট্রাইব্যুনালের এই যুক্তি মানতে নারাজ বাবা মেহেদী হাসান ভূঁইয়া। এখানেই দমে যাননি আদিয়ানের পরিবার। অস্ট্রেলিয়া থাকার শেষ সুযোগ হিসেবে তারা দেশটির অভিবাসন মন্ত্রী ডেভিড কোলম্যানের কাছে আপিল করেছেন।

বর্তমানে বিশেষ ভিসায় রয়েছেন আদিয়ানের পরিবার। এ বিষয়ে মন্ত্রীর সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত তারা দেশটিতে আরও তিন মাস থাকার সুযোগ পাবেন।

যদিও দেশটির শিশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদিয়ানের অক্ষমতা গুরুতর কিছু নয়, হালকা ফিজিওথেরাপি চালু রাখলেই একটা সময়ে ঠিক হয়ে যেতে পারে।

হাসিখুশি, চঞ্চল ও কৌতূহলি আদিয়ান বর্তমানে সাবলিল ভাষায় বাংলা বলতে পারে। খেলাধুলা করতে পারে, পারে দৌঁড়াতেও। বর্তমানে সে দেশটির একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পড়ছে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 × 1 =