Templates by BIGtheme NET
২৯ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ১৪ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » বিশেষ সংবাদ » যেভাবে উত্থান সাদেক হোসেন খোকার

যেভাবে উত্থান সাদেক হোসেন খোকার

প্রকাশের সময়: নভেম্বর ৪, ২০১৯, ৭:১৪ অপরাহ্ণ

অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সর্বশেষ মেয়র বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা মারা গেছেন। ৪ নভেম্বর নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

সাদেক হোসেন খোকা ১৯৫২ সালের ১২ মে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। জীবনের প্রথমদিকে বামপন্থি রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকলেও আশির দশকে বিএনপির রাজনীতি শুরু করেন তিনি।

১৯৯০ সালে বাবরি মসজিদ ভাঙাকে কেন্দ্র করে পুরান ঢাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার চেষ্টা হলেও তা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন খোকা। এতে পুরান ঢাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেন তিনি।

আস্থার প্রতিদান হিসেবে ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে তাকে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত করে ঢাকাবাসী। এরপরই রাজনীতিতে আলোচনায় আসেন বিএনপির এই নেতা। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তিনি পুনরায় ঢাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ওই বছরই ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক দায়িত্ব দেয়া হয় খোকাকে। এতে তার সাথে বিএনপির আরেক নেতা মির্জা আব্বাসের বিরোধ দেখা দেয়। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে তাকে মৎস্য ও পশুসম্পদমন্ত্রী করা হয়। ওই সময় পুরান ঢাকায় বিএনপির রাজনীতিতে নিজস্ব বলয় তৈরি করেন খোকা। এতে আব্বাসের সাথে তার বিরোধ আরো ঘনিভুত হয়। যা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে।

২০০২ সালের ২৫ এপ্রিল অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। পাশাপাশি খোকাকে সভাপতি ও আবদুস সালামকে সাধারণ সম্পাদক করে ঢাকা মহানগর বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়।

ওয়ান-ইলেভেনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তৎকালীন বিএনপি মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে দলের সংস্কারের দাবিতে সাদেক হোসেন খোকার সমর্থন ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এতে বিএনপির রাজনীতিতে কিছুটা কোনঠাঁসা হয়ে পড়েন তিনি।

২০১১ সালে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শাসনামলে টানা দুইবার অবিভক্ত ঢাকার মেয়র ছিলেন সাদেক হোসেন খোকা। পরে ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে ২০১৪ সালের ১৪ মে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যান তিনি। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। ওই সময় দুর্নীতির একাধিক মামলায় তাকে সাজা দিয়েছে আদালত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

4 + twenty =