Templates by BIGtheme NET
৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২১ নভেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী
Home » বিবিধ » অপরাধীর তথ্য যেভাবে সংগ্রহ করে পুলিশ

অপরাধীর তথ্য যেভাবে সংগ্রহ করে পুলিশ

প্রকাশের সময়: নভেম্বর ২, ২০১৯, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ

মোহাম্মাদ এনামুল হক এনা: অপরাধী ধরতে সাধারনত বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকে পুলিশ। তৃণমূল থেকে সংগৃহীত তথ্য বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশ সদর দফতরে পাঠানো হয়। ওইসব তথ্য ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট শাখায় নথিভুক্ত করার পর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারা জানান, গোয়েন্দা ইউনিটগুলোতো আছেই, অন্যান্য মাধ্যমেও অপরাধীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এ ক্ষেত্রে কমিউনিটি পুলিশ ও বিট পুলিশিং ব্যবস্থা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এছাড়াও ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) প্লাটফর্ম ব্যবহার করেও ভার্চুয়াল জগতের অপরাধ ও অপরাধী সম্পর্কে প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে থাকে পুলিশ।

যুদ্ধাপরাধী, শীর্ষ সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও পলাতক আসামিদের তথ্য কীভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়, জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট শাখার কোনও কর্মকর্তা বিষয়টি গোপণীয় বলে এ বিষয়ে তথ্য দিতে রাজি হননি। তবে কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, প্রচলিত নিয়ম হচ্ছে, সোর্স কিংবা গোয়েন্দা ইউনিটগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা। কিন্তু গত কয়েক বছরে দেশে জঙ্গি তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় সেই তথ্য সংগ্রহেও নতুনভাবে এগুচ্ছে পুলিশ সদর দফতর।

কর্মকর্তারা আরো বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ছাড়াও যেসব অ্যাপে মানুষ যোগাযোগ করে থাকে, সেগুলোতেও নজরদারি করা হয়। কারণ, জঙ্গি ও সন্ত্রাসীরা এখন ভার্চুয়াল জগতের মাধ্যমেই নিজেদের মধ্যে বেশি যোগাযোগ করে থাকে। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) অপরাধ সংঘটনে প্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতিরোধে কাজ করছে। এর মাধ্যমেও জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের তথ্য পেয়ে থাকে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো।

পুলিশ সদর দফতরের কমিউনিটি পুলিশিং শাখার এআইজি সহেলী ফেরদৌস বলেন, ‘অপরাধীর তথ্য সংগ্রহে পুলিশের প্রধান সোর্স হয়ে উঠেছে কমিউনিটি পুলিশিং। কারণ, আমাদের এই কমিউনিটির মধ্যেই যেহেতু অপরাধীরা থাকে, তাই কমিউনিটি পুলিশের সদস্যরা অপরাধীদের খবরটা আগে পান। তখন তাদের কাজ হচ্ছে থানা পুলিশকে অবগত করানো যে, এখানে এ ধরনের অপরাধী আছে, কিংবা অপরাধের আলামত দেখা যাচ্ছে। এরপর পুলিশ তাৎক্ষণিক সেই অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিটি গ্রামে ও এলাকায় ৮-১০ জনের টিম করে রাতে পাহারা ও সোর্স নিয়োগের মাধ্যমে অপরাধ ও অপরাধীর তথ্য সংগ্রহ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। জঙ্গিবাদ বা ধর্মীয় গোড়ামী নিয়ে অপব্যাখ্যা, বিতর্কিত ফতোয়া, হিল্লা ও বাল্য বিয়েসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপের তথ্য দিয়ে থাকে এলাকাভিত্তিক সোর্সরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

8 + 6 =