Templates by BIGtheme NET
২৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং , ১০ রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী
Home » জাতীয় » কথা বলা রোবট আবিস্কার গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থীর

কথা বলা রোবট আবিস্কার গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থীর

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ৭, ২০১৯, ৮:২৭ অপরাহ্ণ

এবার মানুষের সাথে কথা বলা, বিভিন্ন জটিল প্রশ্নের উত্তর দেয়াসহ ভার্চুয়াল কাজে সহযোগিতা করতে সক্ষম রোবট তৈরি করেছেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থী। প্রায় ৪৭ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত রোবটটির নাম দেয়া হয়েছে মোবাইল অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্ট রোবট ফর অ্যাডভান্সড অ্যাসিস্ট্যান্স বা ‘মিরা’।

নিজ বিভাগ থেকে দেয়া প্রজেক্টের আওতায় রোবট মিরার উদ্ভাবক কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ২০ তম ব্যাচের শেষ বর্ষের ৬ জন শিক্ষার্থী। তারা হলেন- মোহাম্মদ রিফাত (দলনেতা), মাহতাবুর রহমান সবুজ, মাহমুদা আক্তার নিঝুম, মারুফ হোসেন, সাফিক হাসান ও শারমিন নাহার তোহফা।

তারা বিভাগের প্রভাষক রোয়িনা আফরোজ অ্যানির অধীনে চলতি বছরের ২০ জুলাই রোবটটির কাজ শুরু করেন। প্রায় আড়াই মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমে হিউম্যানয়েড (মানুষের মত গঠন আকৃতি) রোবটটি তৈরি করেন যা গত ৩ অক্টোবর নিজ বিভাগে প্রদর্শন করা হয়।

রোবটটি তৈরিতে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং কোড ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন- জাভা, পাইথন, এআইএমএল, ডট কনফ এবং কোডের সর্বমোট দৈর্ঘ্য আনুমানিক প্রায় ১২ হাজার লাইন। বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন নিরিবিলি ফাল্গুনি হাউজিং এর ল্যাবে রোবটটি তৈরির যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হয়। রোবটটি তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করেন উজ্জ্বল সরকার ও মাসুদ রানা।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. করম নেওয়াজ বলেন, শিক্ষার্থীদের এই অভাবনীয় সাফল্যে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্ববোধ করছি। এটি একটি অত্যাধুনিক রিসার্চ ওয়ার্ক। বিভাগ থেকে আমরা নিয়মিত ৮ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের গ্রুপ করে বিভিন্ন প্রজেক্টের কাজ দিয়ে থাকি। এসব কাজ করার মাধ্যমে তারা হাতে কলমে শিখতে পারে, যেটা তাদের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

রোবটটির প্রধান বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে গ্রুপের সদস্য মাহতাবুর রহমান সবুজ বলেন, এই রোবটটি মানুষের সঙ্গে কথা বলা, জটিল প্রশ্নের উত্তর দেয়া সহ বিভিন্ন ভার্চুয়াল এবং শারীরিক কাজে সক্ষম। ভার্চুয়াল কাজের মধ্যে ইমেইল পাঠানো, পছন্দের গান বাজানো, নির্দিষ্ট কাজের কথা মনে করিয়ে দেয়া (রিমাইন্ডার), সময় ও তারিখ জানানো, ফেসবুকের নোটিফিকেশন চেক করা, আগাম পূর্বাভাস দেয়া ইত্যাদি কাজ করতে পারে। শারীরিক কাজের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি যেমন হ্যান্ডশেক বা হাই ফাইভ করা, কাজের সময় কফির কাপ ধরে রাখা, জোকস শোনানো, রক পেপার সিজার খেলা ইত্যাদি কাজে সক্ষম। এছাড়া রোবটটি যাদের সঙ্গে কথা বলবে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য মনে রাখতে পারবে এবং ওই তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে কথোপকথন করতে পারবে। পূজার ছুটি শেষে আগামী ১২ অক্টোবর রোবটটি ক্যাম্পাসে সকলের জন্য প্রদর্শন করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

20 − five =