Templates by BIGtheme NET
১৫ চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৯ মার্চ, ২০২০ ইং , ৩ শাবান, ১৪৪১ হিজরী
Home » আন্তর্জাতিক » যে তিন কারণে দরিদ্র দেশ হিসেবে বিবেচিত হতো চীন !

যে তিন কারণে দরিদ্র দেশ হিসেবে বিবেচিত হতো চীন !

প্রকাশের সময়: অক্টোবর ৫, ২০১৯, ৩:১৭ অপরাহ্ণ

বিশ্বে বৃহৎ অর্থনীতির দেশের মধ্যে চীনের অবস্থান দ্বিতীয়। এটা কমবেশি সবারই জানা। তবে একটা সময় ছিলো যখন চীন বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হিসেবে নয়, দরিদ্র দেশ হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু কি অলৌকিক ক্ষমতাবলে দেশটি দরিদ্রতা কাটিয়ে অর্থনীতির শীর্ষে উঠে এলো তা হয়তো অনেকের কাছেই অজানা।

ক্রিস লিয়ং নামের একজন গবেষক ও চীনা অর্থনীতিবিদ বলেছেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির সঙ্গে গৃহযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি যখন দেশটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে তখন দেশটি খুবই গরিব ছিল। ব্যবসা করার জন্য তাদের কোনো অংশীদার ছিল না, কারো সঙ্গে ছিল না কূটনৈতিক সম্পর্ক। এমনকি কৃষকদের তাদের নিজেদের জমি চাষাবাদেরও অধিকার ছিলো না। আর এসব কারণে দরিদ্র দেশ হিসেবে বিবেচিত হতো চীন।

তবে গত সাত দশকে দেশটিতে বড় ধরনের রূপান্তর ঘটেছে। নজিরবিহীন সম্পদ অর্জন করেছে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে। চীন আজ শুধু এশিয়া মহাদেশেই নয়, সারা বিশ্বেও পরাক্রমশালী এক রাষ্ট্র। তবে কি রয়েছে এর পেছনের ইতিহাস?

বিবিসির মারফত জানা যায়, ষাটের দশকে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের কারণে চীনের অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। প্রতিদ্বন্দ্বীদের হাত থেকে কমিউনিস্ট পার্টিকে মুক্ত করতে মাও জে দং এই বিপ্লবের সূচনা করেন। কিন্তু এর ফলে সমাজের অনেক বিষয় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তবে ১৯৭৬ সালে মাও জে দংয়ের মৃত্যুর পর দেং শিয়াওপিংয়ের শাসনামলে চীনের বিভিন্ন খাতে সংস্কারকাজ ব্যাপক বিস্তৃত হতে শুরু করে। নতুন করে গড়ে উঠতে শুরু করে দেশটির অর্থনীতি। কৃষকদের তাদের নিজেদের জমি চাষাবাদের অধিকার দেওয়া হয়। এর ফলে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটতে ও খাদ্যের ঘাটতিও কমে আসতে শুরু করে। বিদেশি বিনিয়োগের জন্য চীনের দ্বার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

পরে ১৯৭৯ সালে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে গড়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক। সস্তা শ্রম ও অল্প খরচের কথা বিবেচনায় রেখেই যুক্তরাষ্ট্র সেখানে অর্থ ঢালতে শুরু করে।

তাইতো স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের আন্তর্জাতিক প্রধান অর্থনীতিবিদ ডেভিড মান বলেন, ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিক থেকে তার পরের সময়ে আমরা দেখি যে বিশ্বের অর্থনৈতিক ইতিহাসে চীনের অর্থনীতিতে এক অলৌকিক পরিণত হয়েছে। বর্তমানে পণ্য রপ্তানির বিচারে চীন পরিণত হয় বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হিসেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

sixteen + seven =