Templates by BIGtheme NET
২ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ১৬ সফর, ১৪৪১ হিজরী
Home » অর্থনীতি » অর্থমন্ত্রী বললেন
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের আর্থিক খাতের সক্ষমতা উন্নয়নে সহায়তা করতে প্রস্তুত

অর্থমন্ত্রী বললেন
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের আর্থিক খাতের সক্ষমতা উন্নয়নে সহায়তা করতে প্রস্তুত

প্রকাশের সময়: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯, ৫:২০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের আর্থিক খাতের সক্ষমতা উন্নয়নে সহায়তা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৃহস্পতিবার (১২সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের অর্থের সংকট নেই। এটা একটা নিউজ পেপারে বলছে, এর বিপরীতে এরা কিছু বলবে না। আজ আবার দেখলাম এরা এডিবি’র পজেটিভ রিপোর্ট দিয়ে দিয়েছে, এটা দেখে আবার অবাক হয়ে গেলাম। তারা পজেটিভলি লিখেছে। আমি বলছি, আমাদের কোনো রকম টাকার অভাব নেই।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যদি আপনারা কোথাও কোনো ব্যাংকে গিয়ে টাকা না পান, যদি এলসি স্যাটেলমেন্ট করতে না পারেন, যদি পেমেন্ট না করতে পারেন তবে আমাকে এসে বলবেন। তাহলে এগুলো আমরা কীভাবে বিশ্বাস করবো।

প্রশ্ন রেখে তিনি আরো বলেন, সরকার কোথায় টাকা খুঁজছে? সরকার টাকা খুঁজলে কোথা থেকে পাবে? সরকারের টাকা না থাকলে দেয়ার কোনো ব্যবস্থা আছে। আপনারা কেউ সরকারকে টাকা দেবেন?

অর্থমন্ত্রী বলেন, টাকা তোলার রাস্তাটা কি? সেভিংস ইনস্ট্রুমেন্ট বিক্রি করতে হবে, না হলে আমেরিকা যা করে কোয়ানটিটি বেইজিংয়ের নাম করে টাকা ছাপাতে হবে।

উল্লেখ্য, ‘টাকার খোঁজে সরকার’ শিরোনামে একটি পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ খবরে বলা হয়েছে, খরচ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। ব্যয়ের খাত কেবল বড়ই হচ্ছে অথচ আয়ে আছে বড় ঘাটতি। ব্যয়ের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ নেই সরকারের কাছে। বরং টাকার সংকটে আছে সরকার।

সরকার পরিচালনার খরচ বেড়েছে। বাড়ানো হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা। বাজেট ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ায় সুদ পরিশোধ ব্যয়সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আকার বাড়ছে উন্নয়ন ব্যয়ের। আরও আছে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের বিপুল আগ্রহ।

প্রকাশিত খবরে আরও বলা হয়, সব মিলিয়ে সরকারের ব্যয়ের তালিকা দীর্ঘ। কিন্তু রাজস্ব আয়ের বাইরে সরকারের জন্য অর্থের উৎস হচ্ছে ঋণ নেওয়া। এ ঋণ এখন অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ফলে সরকার অর্থ সংস্থানের নানা উপায় খুঁজছে। যেমন- স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার অলস অর্থ নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন, মহাসড়ক থেকে টোল আদায়, টেলিকম কোম্পানির কাছ থেকে চাপ দিয়ে অর্থ আদায় ইত্যাদি। সরকার এখন যেকোনো ভাবে অর্থ পেতে যে মরিয়া, এটি তারই প্রমাণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 + 8 =