Templates by BIGtheme NET
৮ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ২২ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী
Home » খেলাধূলা » ইউরোপিয়ান দলবদলের বাজারে শীর্ষে রিয়াল, দ্বিতীয় বার্সা

ইউরোপিয়ান দলবদলের বাজারে শীর্ষে রিয়াল, দ্বিতীয় বার্সা

প্রকাশের সময়: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ

স্পোর্টস ডেস্ক :

ইউরোপিয়ান দলবদলের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে গত ২ সেপ্টেম্বর। তবে রেশ এখনো রয়েই গেছে। নতুন খেলোয়াড় ক্রয়ের পেছনে মৌসুমে কোন ক্লাব কত টাকা ঢালল, চলছে তার চুল-চেরা হিসাব-নিকাশ। সুক্ষ্ম হিসাব-নিকাশের পর স্পেনের জনপ্রিয় ক্রীড়া দৈনিক মার্কা আবার সর্বোচ্চ খরচ করা ১০ ক্লাবের তালিকাও প্রকাশ করেছে।

যে তালিকা বলছে, খরচে ‘রাজার’ আসনটি পুনরুদ্ধার করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। নতুন খেলোয়াড় ক্রয়ের পেছনে দেদারছে টাকা ঢালায় রিয়ালের জুড়ি মেলা ভার। বরাবরই খরচে ইউরোপের অন্য ক্লাবগুলোকে টেক্কা দিয়ে এসেছে রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু সেই রিয়ালই ২০১৩ সালের পর থেকে কেমন যেমন চুপসে গিয়েছিল।

ম্যানচেস্টার সিটি, পিএসজি, বার্সেলোনার মতো ক্লাবগুলো দুহাতে টাকা উড়ালেও রিয়াল আশ্চর্য নিরবতায় তা দেখে গেছে। ফলে রিয়ালকে ‘খরচের রাজা’ খেতাবও হারাতে হয়েছিল। গত ৫ বছরে সেটি কখনো ম্যানচেস্টার সিটি, কখনো বা পিএসজি বা বার্সেলোনার মাথায় ঘোরাঘুরি করেছে। কিন্তু রাজা কতদিন আর নিজের মুকুট অন্যের মাথায় পরিয়ে রাখবেন।

অবশেষে ‘রাজা’র মুকুটটা পুনরুদ্ধার করল রিয়াল। হিসাব করে জানা যাচ্ছে, এবারের দলবদলে সবচেয়ে বেশি টাকা ঢেলেছে রিয়ালই। নতুন খেলোয়াড় ক্রয়ের পেছনে এবার তাদের মোট ৩০৫ মিলিয়ন ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৮৪৭ কোটি ৮২ লাখ ৬৪ হাজার ৭৮৫ টাকা মাত্র!

এবারের দলবদলের বাজার গরম করবে, এই বার্তা রিয়াল আগেই দিয়েছিল। তবে যতটা ঢাক-ঢোল পিটিয়েছিল, ততটা খরচ করতে পারেনি। তাদের এক নম্বর টার্গেট ছিলেন যিনি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে সেই পল পগবাকে কিনতে পারেনি। মেটেনি পিএসজি থেকে নেইমারকে নিয়ে আনার আশাও। তবে অনেক দেন-দরবারের পর চেলসি থেকে বেলজিয়ান ফরোয়ার্ড এডেন হ্যাজার্ডকে ঠিকই দলে ভেড়াতে সক্ষম হয়েছে রিয়াল।

কিনেছে ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার এদের মিলিতাও, সার্বিয়ান ফরোয়ার্ড লুকা জভিচ, ফরাসি ডিফেন্ডার ফারলান্ড মেন্ডি ও ব্রাজিলের তরুণ তুর্কি রদ্রিগোকে। এই ৫ জনের পেছনে রিয়ালের মোট খরচ ৩০৫ মিলিয়ন ইউরো। যা তাদের আবার বানিয়েছে ‘খরচের রাজা’।

শুধু রিয়ালই নয়, খরচে ইউরোপের অন্য দেশের ক্লাবগুলোকে টেক্কা দিয়েছে স্পেনের অন্য দুই জায়ান্ট বার্সেলোনা এবং অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদও। সর্বোচ্চ খরচের তালিকায় স্পেনের এই তিনটি ক্লাবই শীর্ষ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বার্সেলোনা ঢেলেছে ২৫৫ মিলিয়ন ইউরো। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের খরচ ২৪৩ মিলিয়ন।

সর্বোচ্চ খরচের তালিকায় এরপর পর্যায়ক্রমে আছে ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়ন জুভেন্টাস (১৮৯ মিলিয়ন ইউরো), ইংলিশ চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি (১৬৮ মিলিয়ন ইউরো), ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (১৫৯ মিলিয়ন ইউরো), সেভিয়া (১৫৮ মিলিয়ন ইউরো), আর্সেনাল (১৫২ মিলিয়ন ইউরো), অ্যাস্টন ভিলা (১৪৮ মিলিয়ন ইউরো) ও ইন্টারমিলান (১৩৮ মিলিয়ন ইউরো)।

এই শীর্ষ দশে না থাকাটাই প্রমাণ করে হঠাৎ ধনকুবের পিএসজি এবার হাতের মুঠো বন্ধ করে রেখেছিল। চেলসি, বায়ার্ন মিউনিখ, এমি মিলানের মতো বিশ্বসেরা ক্লাবগুলোও ঘুমিয়ে থেকে টাকা বাঁচিয়েছে!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

1 × three =