Templates by BIGtheme NET
১ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ইং , ১৬ সফর, ১৪৪১ হিজরী
Home » জাতীয় » ‘শহরের মতো গ্রামে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন’

‘শহরের মতো গ্রামে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন’

প্রকাশের সময়: সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ

ডেস্ক রিপোর্ট :

শহুরে বাবুদের আগে সেবা দিতে হবে এ ধারণা পাল্টে গেছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শহরের পাশাপাশি গ্রামেও পরিষেবা পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে চতুর্থ দক্ষিণ এশিয়া অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক কনফারেন্স ২০১৯ এবং সুবেশনাল ফিনান্স অ্যান্ড লোকাল সার্ভিস ডেলিভারি শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আগে শহর ও গ্রামের সেবার মধ্যে দ্বিধা ছিল। শহরে বাবুরা থাকে তাই আগে তাদের সেবা দিতে হবে এ রকম ধারণা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাল্টে দিয়েছেন। তিনি শহরের পাশাপাশি গ্রামে বসবাস করা মানুষের জন্য সেবা নিশ্চিত করেছেন। এখন পানি, বিদ্যুৎ শুধু ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে পাবে তা নয়, প্রতিটি গ্রামে এসব সেবা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রামে যারা বসবাস করছে, তাদের সেবা দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তবে এজন্য সবার সহযোগিতা ও স্থিতিশীল পরিবেশ দরকার।

এম এ মান্নান বলেন, এক্ষেত্রে সারা জীবন আমরাই মন্ত্রী থাকবো তা নয়, ৫ বছর পর পর আমাদের আপনাদের কাছে যেতে হবে, তাই কাজ করলে মূল্যায়ন করবেন আর না করলে করবেন না।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য নিরসন ও মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে দেশের গ্রাম অঞ্চলে সেবা উন্নয়নের ওপর জোর দিতে হবে। গ্রামীণ অঞ্চলে আমাদের বিভিন্ন পরিষেবা উন্নত করতে হবে। আমরা শহরের মতো গ্রামে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করছি। সুতরাং আপনাদের সবার সহযোগিতা দরকার।

তিনি বলেন, গ্রামে পরিষ্কার পানি, উন্নত শিক্ষা, স্যানিটেশন, অবকাঠামো, দক্ষ জনশক্তি, বিদ্যুতায়ন ও দারিদ্র্যসহ কিছু সমস্যা রয়েছে। সুতরাং আমাদের এখানে স্থানীয় সরকার কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অর্থনৈতিক মডেলিং (সানেম) দক্ষিণ এশিয়া নেটওয়ার্কের নির্বাহী পরিচালক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সেলিম রায়হান।

বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান অর্থনীতিবিদ ডা. হান্স টিমার এবং বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মের্সি মিয়াং টেম্বন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর ড. আতিউর রহমান সম্মেলনে স্থানীয় সরকার অর্থ ও সেবা বিতরণ সম্পর্কে দ্বিতীয় অধিবেশন পরিচালনা করেন।

আতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ হলেও এখনো অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণ হয়নি। তাছাড়া জনগণের প্রকৃত মতামত এখনও প্রতিফলিত হয় না। কেন্দ্রীয়ভাবে স্থানীয় সরকারকে অর্থ দেওয়া হয়। কিন্তু তা অতিমাত্রায় কম। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে।

তিনি বলেন, নেপাল গাড়ি ও বাড়ির ট্যাক্সের একটি অংশ স্থানীয় সরকারকে দিয়ে দেয়। আবার ভারত যেমন ফেডারেল ইকোনোমিক কমিশন এবং অ্যাস্টেট ইকোনোমিক কমিশন গঠন করেছে। এ রকম উদাহরণগুলো আমাদেরও কাজে লাগানো প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

16 + 11 =